দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত

আমি আজ এই লেখাটির মাধ্যমে দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ সহ প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। হঠাৎ ঠান্ডা লাগা, সর্দি লাগা, মনোনিউক্লিওসিস, গলার ইনফেকশন সাধারণত এ ধরনের সমস্যায় মাসিক দেরিতে হতে পারে। এছাড়াও যদি আপনার বড় ধরনের কোন স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে থাকে যেমন,

থাইরয়েড সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের সমস্যা তাহলে মাসিক দেরিতে হয়। দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ সহ বিস্তারিত জানতে চাইলে অবশ্যই এই লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আর জেনে নিন বিস্তারিত। তাহলে আপনি সবকিছু ভালোভাবে জানতে ও বুঝতে পারবেন।

পোষ্ট সূচিপত্রঃ দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত

  • ভূমিকা
  • দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকার
  • তারিখ অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার কারণ
  • অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ
  • হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণ
  • পিরিয়ড না হলে করনীয়
  • দ্রুত পিরিয়ড হওয়ার উপায়
  • মাসিক নিয়মিত করার উপায়
  • দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়
  • অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ
  • তাড়াতাড়ি মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়
  • মাসিক হওয়ার ঔষধগুলোর নাম ও দাম
  • উপসংহার

ভূমিকা

মেয়েদের সময়মতো নিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে অনিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) নারী স্বাস্থ্যের অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (POS) জন্য অনিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) বা একেবারেই মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়া হয়ে যায়। এছাড়াও আরও অনেক কারণে মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হতে পারে, মাসিক (পিরিয়ড) দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়মিত হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে

এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ কি। আপনাদের জন্যই আমার আজকের এই লিখাটি আপনি এ লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়লে দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত জেনে যাবেন। তাই আবারো বলছি লেখাটি অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকার

দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকার রয়েছে অসংখ্য তার মধ্যে কিছু প্রতিকার সম্পর্কে আমরা এখন জেনে নেব বিস্তারিত। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন কিংবা অনেকে জানেন না যে কাঁচা হলুদ হরমোন ঠিক রাখে এবং নিয়মিত মাসিক হতে সাহায্য করে। তাই বলা যায় দুই মাস মাসিক না হওয়ার  প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার করা যায় কাঁচা পেঁপে।

কাঁচা পেঁপে মারসিটকে নিয়মিত করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাহলে আমরা এখন জেনে নিলাম ২ মাস পিরিয়ড না হওয়ার কারণ। ছাড়া মাসিক না হওয়ার প্রতিকার হিসেবে এলোভেরা ব্যবহার করে দেয় আপনি যদি নিয়মিত অ্যালোভেরা খান এবং এর সাথে ঘৃপ্ত কুমারীর শ্বাস খেতে পারেন তাহলে আপনার পিরিয়ড নিয়মিত হবে নিয়মিত পিরিয়ড থেকে প্রতিকার পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকার হিসেবে দারুচিনি, জিরা, আদা বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাকসবজি ও ফলের জুস খেতে পারেন নিয়মিত। দুই মাস মাসিক না হওয়ার প্রতিকারগুলো সম্পর্কে এখন আপনি জানতে পেরেছেন।

তারিখ অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার কারণ

তারিখ অনুযায়ী মাসিক (পিরিয়ড) না হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা। হঠাৎ করে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার জন্য দুই মাস মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হয়ে থাকে। এছাড়াও দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ হল হঠাৎ করে ওজন হ্রাস একজন নারীর বয়স অনুযায়ী যদি শরীরের ওজন অনেক কম হয় তাহলে দুই মাস দুই মাস মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ থাকে।

এছাড়াও বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে জন্মনিরোধক পদ্ধতি। আপনি হয়তো জেনে থাকবেন যে জন্মনিরোধক পদ্ধতি বিভিন্ন রকম ভাবে অবলম্বন করা যায়। আর এর যে কোন একটি নিয়মিত অবলম্বন করার ফলে আপনার দুই মাস মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ থাকতে পারে। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবার চলুন তাহলে দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরি।

অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ

অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ বা দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ এর মধ্যে অবিবাহিত মেয়েদের দুই মাস মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়া একটি দুশ্চিন্তার বিষয়। তবে আপনি যদি এর সঠিক নিয়ম জেনে যান তাহলেই দুশ্চিন্তা তেমন কারণ নেই। আমি এই লেখাটির শেষে মাসিক (পিরিয়ড) হওয়ার সেরা ১০টি ঔষধের নাম বলে দেব। তাহলে চলুন এবার জেনে নেই অবিবাহিত মেয়েদের মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার কারণগুলোঃ

  • ডিম্বাশয়ের অপরিপক্কতাঃ ১০ বছরের শিশু কিশোরীদের মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার পিছনে যেটি বেশি দায়ী তাহলো ডিম্বাশয় এর অপরিপক্কতা। তাই অবিবাহিত মেয়েদের কিংবা কিশোরীদের যদি অধিক সময় ধরে মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
  • অস্বাস্থ্যকর খাবারঃ দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ এর অন্যতম একটি বিষয় হলো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। তোকার খাবার বলতে এখানে মেয়েরা বেশি বাইরের খাবার খেতে পছন্দ করে, বাইরে গেলে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এবং ভাজাপোড়া খেয়ে থাকে আর এটি অতিরিক্ত খেলে দুই মাস মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার সমস্যাটি দেখা দেয়।
  • স্ট্রেসঃ এই স্ট্রেস হল মেয়েদের জন্য খুবই খারাপ একটি সিচুয়েশন। এই স্ট্রেস জন্য বিবাহিত-অবিবাহিত উভয়ই মেয়েদের মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। মেয়েদের স্ট্রেস অতিরিক্ত চাপের জন্য হয়ে থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় রোজকার ছোটখাটো চাপ কে কিন্তু স্ট্রেস বলা যায় না। কোন চাপকে স্ট্রেট হিসেবে গণ্য করতে হলে সেটা একটা মাত্রা ছাড়াতে হয়। তাই এখানে বলা যায় যে অতিরিক্ত বেশি চাপ হলেই শুধু তাকে স্টেট বলা যাবে।
  • পুষ্টিকর খাবার না খাওয়াঃ যে সকল মেয়েরা বা অবিবাহিত কিশোরীরা মানসম্মত পুস্তিকার খাবার খান না। চাহিদা মত শরীরের পুষ্টিগুণ উপাদান পূরণ করেন না। তাদের অনিয়মিত এই মাসিক (পিরিয়ড) সমস্যা দেখা দেয় এবং হঠাৎ করেই দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া।
  • হারমোনাল প্রভাবঃ আমরা জানি যে প্রতিটি মানুষের দেহেই হরমোনাল প্রভাবের উপর নির্ভর করেই মানুষের স্বার্থের অবনতি এবং উন্নতি হয়ে থাকে। এর মধ্যে দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করতে গেলে বলা যায় যে হরমোনাল প্রভাবের বিভিন্ন কারণে অবিবাহিত মেয়েদের এবং কিশোরীদের মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার সমস্যা হয়ে থাকে।
  • টিউমারঃ এটি একটি বড় ধরনের সমস্যা বলা যায়। অনেক অবিবাহিত মেয়েদের কিংবা কিশোরীদের জরের ভিতরে ছোট ছোট টিমার তৈরি হয়ে যায় হঠাৎ করেই। আর এ ধরনের টিউমার গুলোর জন্যই অবিবাহিত মেয়েদের এবং কিশোরীদের মাসিক (পিরিয়ড) হয়ে যায়। আশা করি এইবার বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণ

অনেকেই জানতে চান যে দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ কি? এবং হঠাৎ মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে। নাহলে চলুন হঠাৎ মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে এখন বিস্তারিত আলোচনা করি। এ বিষয় নিয়ে সঠিকভাবে বলতে গেলে বলা যায় যে বয়স অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। কিশোরী এবং অবিবাহিতদের জন্য আলাদা সমস্যা হয়ে থাকতে পারে এবং বিবাহিত নারীদের জন্য অন্য ধরনের সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। তবে তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয় আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রথমত হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার জন্য যেটি দায়ী তা হলোঃ অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। এছাড়াও অতিরিক্ত মানসিক চাপ। হঠাৎ শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেয়ে যাওয়া। কিংবা হঠাৎ শরীরের ওজন দ্রুত কমে যাওয়া। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। কিংবা হঠাৎই জরের ভেতরের ছোট ছোট টিউমার তৈরি হওয়া। হরমোনের তারতম্য হওয়া বা প্রভাব বিস্তার শরীরে। এবং অপরিপক্ক ডিম্বাশয়ের কারণেও হঠাৎ মাসিক (পিরিয়ড) বন্ধ হওয়ার কারণ।

পিরিয়ড না হলে করনীয়

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ পর্বে আপনারা উপরে বিভিন্ন কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিলেন।এবারে প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত। শুরুতে বলে নি মাসিক (পিরিয়ড) না হলে করনীয় কি এই বিষয়ে। নিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) না হলে প্রথমত করণীয় অ্যামেনোরিয়ার চিকিৎসা করানো। এছাড়াও সঠিকভাবে কারণ জানতে হলে অবশ্যই প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষার।

আরো পড়ুনঃ কিডনি বিক্রি হাসপাতাল বাংলাদেশ – বাংলাদেশে কিডনির দাম কত

হরমোন টেস্ট করানো, ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন করানো, রক্ত পরীক্ষা করানো, তলপেটের আলট্রাসনোগ্রাফি সহ ডাক্তারি নিয়ম অনুযায়ী আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মতে যে সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা টেস্ট দিবে তা সবকিছু করানো। এছাড়াও পিরিয়ড না হলে এর কিছু কার্যকরী উপায় গুলো আমরা নিচে থেকে জেনে নিই।

দ্রুত পিরিয়ড হওয়ার উপায়

দ্রুত পিরিয়ড হওয়ার উপায় জানতে হলে এই লেখাটি সম্পূর্ণ পড়ুন। অধিকাংশ নারীদের ক্ষেত্রে হঠাৎ করে দুই মাস পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় কিংবা একেবারে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। আপনার যদি পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় তাহলে দ্রুত পিরিয়ড হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই সিডার ভিনেগার অথবা টক জাতীয় ফল খেতে হবে। এতে করে অতি দ্রুত পিরিয়ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করার মাধ্যমেও দ্রুত পিরিয়ড হওয়াতে পারেন।

মাসিক নিয়মিত করার উপায়

এবারে আমরা দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ পর্বের মূল একটি পয়েন্টে চলে এসেছি। আপনি যদি লক্ষ্য করেন হঠাৎ করেই আপনার আর নিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) হচ্ছে না। তাহলে এটা নিয়ে বেশি চিন্তা করার কোন কারণ নেই। কেননা বেশি চিন্তা করলে আপনি আরো বেশি দুর্বল হয়ে পড়বেন।

আপনি যদি মাসিক নিয়মিত করার উপায়গুলো জেনে যান তাহলেই আপনার এটি নিয়ে আর দুশ্চিন্তা থাকবে না। প্রথমত মাসিক নিয়মিত করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ঘরোয়া নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। তাহলে চলুন এখন আমি জানিয়ে দেই মাসিক নিয়মিত করার উপায় গুলো কি কি?

  • টক জাতীয় ফল
  • সিডার ভিনেগার
  • তিল
  • আদা
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা

উপরের এই পাঁচটি জিনিসের পয়েন্ট আকারের নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। লেখাটা আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়লেই জেনে যাবেন সবকিছু।

টক জাতীয় ফল

মেয়েরা টক জাতীয় ফল বেশি খেতে পছন্দ করেন। আপনি জেনে খুশি হবেন যে নিয়মিত মাসিক ঠিক রাখতে হলে অবশ্যই আপনাকে টক জাতীয় খাবার খেতে হবে। যেমনঃ জলপাই, আমড়া, তেতুল, বরই, আমলকি, চুকা ইত্যাদি ফল আপনি যদি নিয়মিত খান তাহলেই আপনার মাসিক নিয়মিত হবে। এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরনের টক জাতীয় আচার খেতে পারেন নিয়মিত।

সিডার ভিনেগার

মাসিক নিয়মিত করতে সিডার ভিনেগার খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। এটিকে অনেকে আপেল সিডার ভিনেগার নামেও বলে থাকেন। অনিয়মিত মাসিক কে নিয়মিত করতে চাইলে এটি নিয়মিত খেতে হবে। সিডার ভিনেগার খাওয়ার জন্য রাতের খাওয়ার আগে দুই চা চামচ পানিতে মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। এটি আপনার শরীরে ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করবে। যার ফলে নিয়মিত সিডার ভিনেগার খেলে শরীরের ওজন কমিয়ে শরীর ঠিক রাখবে এবং নিয়মিত মাসিক হতে সাহায্য করবে।

তিল

আমরা জানি যে অফিসটির অভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে থাকে। কিন্তু তিলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যার জন্য আপনি যদি নিয়মিত তিল খেতে পারেন তাহলে আপনার অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত হবে। তিল খেতে হলে অবশ্যই প্রথমে অল্প পরিমাণ তেল ভেজে গুঁড়ো করে নিবেন।এরপরে এক চা চামচ পানিতে দিয়ে ভালোভাবে মিক্সচার করে নিবেন এবং প্রতিদিন সকালবেলা খালি পেটে একই নিয়মে একই ভাবে খাবেন। তাহলে দেখবেন আপনার অনিয়মিত মাসিকও নিয়মিত হতে শুরু করেছে।

আদা

মাসিককে নিয়মিত করতে আদা একটি খুবই উপকারী জিনিস। নিয়মিত আপনি কাঁচা আদায় করতে পারলে আপনার আর কখনোই কোনো ধরনের মাসিক বন্ধ হওয়ার সমস্যা হবে না। তাহলে চলুন এবারে জেনে নেয়া যাক আদা কিভাবে খেতে হবে। প্রথমে এক কাপ পানিতে এক থেকে দুই চা চামচ আদা ছোট ছোট করে কেটে পাঁচ থেকে সাত মিনিট ভালোভাবে হিট দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর প্রতিদিন তিনবার খাবারের পর খেতে হবে। তাহলে আপনার অনিয়মিত মাসিক (পিরিয়ড) নিয়মিত হবে কোন ধরনের আর সমস্যা থাকবে না।

নিয়মিত ব্যায়াম করা

মাসিক নিয়মিত করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। স্বাস্থ্য গবেষকদের মতে নিয়মিত ব্যায়াম করা নারীরা অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় পড়েন না। তাই আপনি আপনার মাসিক নিয়মিত করতে চাইলে অবশ্যই নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন। নিয়মিত মাসিক হওয়ার জন্য শারীরিক ব্যায়াম গুরুত্ব অপরিসীম।

দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়

আপনি যদি একজন মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি জেনে থাকবেন যে মাসিক কখনো দ্রুত হয় না এটি নিয়ম মত হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেকের এই নিয়মিত মাসিক বন্ধ হয়ে যায় বিভিন্ন কারণে। তাই অনেকেই জানতে চায় নিয়মিত মাসিক হওয়ার উপায় কি সেই সাথে অনেকেই ভুলবশত প্রশ্ন করে থাকেন দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায় কি। দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ পর্বে নিয়মিত মাসিক হওয়ার উপায় সম্পর্কে উপরে আমরা বিস্তারিত আলোচনা আগে করে নিয়েছি তাই আশা করি আপনি সেই সম্বন্ধে অনেক কিছুই জেনে গেছেন।

আরো পড়ুনঃ রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী মানুষের বৈশিষ্ট্য কেমন হয় কোন মানুষের চরিত্র

তারপরেও আরো একবার বলে দেই আপনার সুবিধার্থে। মাসিক নিয়মিত করতে চাইলে আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। প্রতিদিন নিয়মিত কাঁচা আদা খেতে হবে। এবং নিয়মিত তিল খেতে হবে দিলে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে। সিডার ভিনেগার খেতে পারেন এটি মাসিককে নিয়মিত করতে অনেক কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে হবে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যাবেনা।

অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ

যদি কারো মাসিক অনিয়মিত হয়। তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথমত প্রাথমিক হরমোনাল থেরাপি দেওয়া হয়। তবে যদি কোন মেয়ে বেশি মোটা হন বা ওজন বেশি থাকে তাহলে তাকে ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যয়াম এবং ডায়েট করতে বলা হয়। আর বিবাহিত নারীদের সন্তান ধারণ করার বয়সে অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা দেখা দেখা দিলে একজন ভালো ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হয়। যাই হোক আমরা দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ পর্বের এবারের অংশে অনিয়মিত মাসিকের ঔষধ সম্পর্কে কথা বলবো বলেছি।

তাহলে এবার জেনে নিন ভালো কিছু ঔষদের নাম ও কোম্পানীর নাম। ঔষধগুলো রেনেসা কোম্পানীর Normes, ইনসেপ্টা কোম্পানীর Noteron, একমি কোম্পানীর Feminor, এছাড়াও আরো বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন ধরনের ঔষধ রয়েছে অনিয়িমিত মাসিক এর জন্য। নিচে আরেকটি পয়েন্টে সেরা ১০টি ঔষধ এর নাম, কোম্পানীর নাম এবং দাম তুলে ধরবো। আশা করি লিখাটি আরো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

তাড়াতাড়ি মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায়

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত পর্বের এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাড়াতাড়ি মাসিক হওয়ার অনেক ঘরোয়া উপায় রয়েছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘরোয়া উপায়গুলো আপনার সামনে তুলে ধরুছি আশা করি ভালো ভাবে লিখাটি পড়লে সব জেনে জাবেন। নিচে তাড়াতাড়ি মাসিক হওয়ার ঘরোয়া উপায় নিয়ে ১২টি পয়েন্ট তুলে ধরা হলো।

  • গাজরঃ অনিয়মিত মাসিককে নিয়মিত করতে হলে গাজরের ভূমিকা অপরিসীম কেননা গাজরে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। আপনার মাসিক যদি অনিয়মিত হয়ে থাকে তাহলে প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস তিন মাস খেতে হবে প্রতিদিন।
  • করলার রসঃ মাসিক বা পিরিয়ড সমস্যার সমাধানে। করলার রস অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আপনার মাসিক অনিয়মিত হয়ে গেলে প্রতিদিন করলাম রস টানা কিছুদিন খেলে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। এবং করলার রস খেলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
  • মৌরিঃ নিয়মিত মৌরি খেলে আপনার শরীর ঠান্ডা থাকবে। মৌরি হলো জিরার মতো দানা যেটি আপনি বাজারে কিনতে পাবেন। দুই চামচ মত মৌরি একগ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই মৌরি ভেজানো পানি ছেঁকে খেতে হবে। অনিয়মিত মাসিক কে নিয়মিত করতে চাইলে টানা এক মাস মৌরি ভেজানো এই পানি খেতে হবে আপনাকে।
  • ধনেপাতা বাটাঃ ধনেপাতা যদিও সারাবছর পাওয়া যায় না। তবে এটি অনিয়মিত মাসিক বা পিরিয়ড সমস্যায় অনেক বেশি উপকারী। অতিরিক্ত গন্ধের কারণে ধনে পাতার রস অনেকের খেতে পারেন না তারা চাইলে ধনেপাতা বেটে ভাতের সাথে খেতে পারেন। আর যদি আপনি খেতে পারেন এমনিতেই তাহলে ধনেপাতা কুঁচিকুঁচি করে নিয়ে বেঁটে খেতে পারেন।
  • ভিটামিন সিঃ ভিটামিন সি এবং টক জাতীয় খাবার অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা সমাধানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনার মাসিক শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার যদি খান তাহলেই আপনার অনিয়মিত মাসিক ঠিক হয়ে যাবে।
  • পুদিনা পাতাঃ পুদিনাপাতার অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতা মেয়েদের রূপচর্চার কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া মেয়েদের তলপেটের ব্যথার জন্য এটি খুবই উপকারী। এক চা চামচ মধু দিয়ে পুদিনা পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন তিনবার খেতে হবে। টানা কয়েক সপ্তাহ খেলে আপনার অনিয়মিত মাসিক ঠিক হয়ে যাবে।
  • আদাঃ আদা খেলে আপনার অনিয়মিত মাসিক সমস্যা সমাধান হওয়ার পাশাপাশি এটি আপনার যদি মাসিক চলাকালীন পেটে ব্যথা থাকে তাহলে ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। এক চা চামচ আদা কুচি কুচি করে কেটে এক কাপ গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে ভালোভাবে। তারপরে আদার রসটি ঠান্ডা হলে ছেঁকে নিতে হবে এরপর এতে সামান্য কিছু চিনি বা মধু মিশিয়ে খেতে হবে প্রতিদিন তিনবার করে। যদি আপনি অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় পড়েন তাহলে এক মাস খাবেন দেখবেন ঠিক হয়ে যাবে।
  • হলুদঃ আপনি হয়তো জেনে থাকবেন যে রক্ত পরিষ্কারের কাজে হলুদ খুবই উপকারী। ছোট চামচের এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো হালকা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে নিয়মিত প্রতিদিন খেতে থাকলেই মাসিকের সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ পাওয়া যায়।
  • ধনিয়াঃ ধনিয়া পাতার চেয়ে ধনিয়ার গুনাগুন কম নয় অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা সমাধানে। দুই কাপ পানিতে ছোট চামচের এক চামচ ধনিয়া দিয়ে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। মাসিক শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রতিদিন তিনবার করে নিয়মিত ধনিয়ার এই পানি খেতে হবে।
  • তুলসি পাতাঃ তুলসী পাতার অনেক গুনাগুন রয়েছে বিশেষ করে মেয়েদের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে। প্রথমে আপনি এক কাপ সমান পানিতে ৫ থেকে ৬ ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এরপরের তুলসী পাতা বেটে এক চা চামচ পরিমাণ নিয়ে নিন এবং সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। তাহলেই হয়ে গেল আপনার অনিয়মিত মাসিকের খাবার তৈরি এইভাবে আপনি প্রতিদিন দুইবার করে এটি খেতে পারেন। তাহলে ফলাফল পেয়ে যাবেন।
  • তিল ও গুড়ঃ অনিয়মিত মাসিকের জন্য গুড় ও তিল খুবই উপকারী একটি খাবার। এক চা চামচ গুড়ের সাথে এক মুঠ তিল মিশিয়ে নিন। তাহলেই হয়ে গেল এই খাবার প্রস্তুত। এখন প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই খাবার নিয়মিত খান।
  • দারুচিনিঃ দারুচিনি মাসিক চলাকালে পেটের ব্যথা কমাতে অনেক সাহায্য করে। সেই সাথে যাদের অনিয়মিত মাসিক হয় তারা নিয়মিত দারুচিনি খেতে পারেন। দারুচিনি খাওয়ার নিয়ম হলোঃ গরুর দুধের সাথে কিংবা গুঁড়ো দুধের সাথে আধা চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে খেতে হবে। এছাড়াও আপনি চাইলে প্রতিদিন সকালে চায়ের সাথে দারুচিনি খেতে পারেন।

মাসিক হওয়ার ঔষধগুলোর নাম ও দাম

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ পর্বে মাসিক হওয়ার জন্য বিভিন্ন কোম্পানীর অনেক ধরনের ঔষধ রয়েছে, তার মধ্যে আপনার পরিচিত কোম্পানীর ১০টি ট্যাবলেট ঔষধ এর নাম ও দাম সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হলো।আপনি একজন নারী হলে এই লিখাটি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ঔষধের নাম কোম্পানী নাম মূল্য/দাম
Normens 5mg (নরমেনস) Renata Limited প্রতি পিস ৬.৫০ টাকা
Ethinor 5mg (ইথিনর) Eskayef Pharma. Ltd প্রতি পিস ৫ টাকা
Feminor 5mg (ফেমিনর) ACME Laboratories Ltd প্রতি পিস ৬.৮৪ টাকা
Remens 5mg (রেমেন্স) Popular Pharma. Ltd প্রতি পিস ৫.০১  টাকা
Menogia 5mg (মেনোজিয়া) ACI Limited প্রতি পিস ৬ টাকা
Menoral 5mg (মেনোরাল) Square Pharma. Ltd প্রতি পিস ৬.৫০ টাকা
Mensil N (মেনসিল এন) HealthCare Pharma. Ltd প্রতি পিস ৭.৫০ টাকা
Norestin 5mg (নরেস্টিন) Nuvusta Pharma. Ltd প্রতি পিস ৬.৮৪ টাকা
Noteron 5mg (নটেরন) Incept Pharma. Ltd প্রতি পিস ৫.৫০ টাকা
Norculut 5mg (নরকুলেট) City Oversea প্রতি পিস ৭.২৫ টাকা

উপসংহার

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন বিস্তারিত পর্বে আমরা এবারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো একবার জেনে নেই। প্রথমত ১৩ বছর বয়সে কিংবা সর্বনিম্ন ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সের একজন নারীর জীবনে মাসিক (পিরিয়ড) শুরু হয়ে থাকে যাকে ইংরেজিতে বলা হয় মেনার্কি (Menarche). আর মাসিক (পিরিয়ড) ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সের নারীরদের বন্ধ হয়ে যায় একেবারে।

দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ কিংবা অনিমিয়ত মাসিক এর সমস্যায় যদি আপনি পড়েন তাহলে অবশ্যই উপরোক্ত নিয়ম কানুনগুলো ভালোভাবে মেনে চলতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি চান আপনার মাসিক নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে হোক তাহলে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে আপনাকে। সেই সাথে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। আর যত দূর পারেন ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!