পাকিস্তান আমলে বৈষম্য

বহু ত্যাগ ও কুরবানীর বিনিময়ে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামে যে রাষ্ট্রের জন্ম। হয়েছিল, বর্তমান বাংলাদেশ ছিল তারই একটি প্রদেশ। অপর অংশ পশ্চিম পাকিস্তান। প্রায় ২০০০ কি. মি. দূরত্বে অবিস্থত পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে ধর্মের মিল ছাড়া। আর বিশেষ কোনো মিল ছিল না। সে সময় পাকিস্তানের রাজধানী ছিল করাচি। পরে তা সরিয়ে নেয়া হয় ইসলামাবাদে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসনভার ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানীদের হাতে। ফলে শাসকবর্গ পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নতির জন্যই সচেষ্ট ছিলেন।

তখন পাকিস্তানের বৈদেশিক আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস ছিল পাট রপ্তানি। পাট রপ্তানি থেকে অর্জিত আয় দিয়ে কলকারখানা তৈরি হয় পশ্চিম পাকিস্তানে। এমনকি সেখানে শুকনো মরুভূমি অঞ্চলে পানি সেচের ব্যবস্থা করে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানো হয়। পূর্ব পাকিস্তানের বন্যা সমস্যার কোনো সমাধান করা হয়নি। অথচ নদীতে বাঁধ দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা নেয়া হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের কলকারখানায় জিনিসপত্র তৈরি করে তা পূর্ব পাকিস্তানে বেশি দামে বিক্রি করা হতো। বিভিন্নভাবে অর্থনৈতিক শোষণের যাঁতাকলে এদেশের মানুষ নিষ্পেষিত হতে থাকে।

এ ছাড়া ব্যবসা, বাণিজ্য, শিক্ষা, চাকরি সকল ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানীরা বেশি সুবিধা ভোগ করত। প্রতিরক্ষা বাহিনীতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব ছিল খুবই নগণ্য। ফলে পূর্ব পাকিস্তান কার্যত পশ্চিম পাকিস্তানের উপনিবেশে পরিণত হয়। এ বৈষম্য ও অন্যায়ের কারণে এদেশের মানুষের মোহ ভঙ্গ ঘটে। সৃষ্টি হয় ক্ষোভ ও অসন্তোষের। আর যে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশায় এত বিশাল ব্যবধানে অবস্থিত দুটি অঞ্চলের মাঝে ঐক্য তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সে স্বপ্ন পূর্ণ হয়নি। ফলে ঐক্যের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানীদের শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। এক সময় তা স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।  স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

১৯৫৮ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান আইউব খান পাকিস্তানের ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন চালু করেন। পরে ১৯৬২ সালে তিনি মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এ ব্যবস্থায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোট দ্বারা সরকার নির্বাচনের অধিকার ছিল না। কাজেই এদেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সমান অধিকারের দাবিতে সরব হয়ে ওঠে। পূর্ব পাকিস্তানের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এ ছয় দফা দাবির মধ্যে ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং শাসনব্যবস্থা, চাকরি-বাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য, দেশের শিল্পকারখানাসহ সর্বক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ন্যায্য হিস্যা প্রদানের আহ্বান। এ দাবির মূল কথা ছিল পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শাসন শোষণ থেকে বাঙালির মুক্তি।

পাকিস্তান আমলে বৈষম্য

ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন শুরু হয়। সে আন্দোলন দমন করার উদ্দেশে আইউব খান শেখ মুজিবসহ আরও অনেক শীর্ষ বাঙালিকে কারারুদ্ধ করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৬৮ সালে “আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা” নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিশেষ আদালতে এ মামলার শুনানির সময়ে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে পূর্ব পাকিস্তানে প্রচণ্ড আন্দোলন শুরু হয়। এ আন্দোলন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত। পাকিস্তানের শোষণ আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে এত বড় আন্দোলন আগে কখনও এদেশে হয়নি। ফলে আইউব খান শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। একই সময় পশ্চিম পাকিস্তানেও আইউব-বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। বাধ্য হয়ে প্রেসিডেন্ট আইউব খান ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ সেনাবাহিনী প্রধান ইয়াহইয়া খানের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে পদত্যাগ করেন। ইয়াহইয়া খান ক্ষমতায় এসে নির্বাচন দেন।

১৯৭০ সালের ডিসেম্বর মাসে সমগ্র পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। পাকিস্তানি সামরিক শাসকচক্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তরে নানা চক্রান্ত শুরু করে। ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ইয়াহহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করেন। পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় অধিবেশনে যোগদান করতে অস্বীকার করেন। অন্যান্য সদস্যকেও তিনি হুমকি দেন। এসবই ছিল ভুট্টো-ইয়াহইয়ার ষড়যন্ত্রের ফল। ইয়াহইয়া খান ১লা মার্চ ভুট্টোর ঘোষণাকে অজুহাত দেখিয়ে ৩রা মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কোন প্রকার আলোচনা না করে অধিবেশন স্থগিত করায় পূর্ব বাংলার জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারা দেশে হরতাল পালিত হয়। ফলে সকল সরকারি কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। হরতাল চলাকালে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে বহুলোক হতাহত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহযে আন্দোলনের ডাক দেন।

এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-শাসন, বঞ্চনার ইতিহাস, নির্বাচনে জয়ের পর বাঙালীর সাথে প্রতারণা ও বাঙালীর রাজনৈতিক ইতিহাসের পটভূমি তুলে ধরেন। এ ভাষণে তিনি স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে সকল বাঙালীকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে আহবান জানান।

৭ই মার্চের ভাষণ থেকে বাঙালী ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা ও মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা পায়। এ ভাষণের পরই বাঙালী জাতির সামনে একটি মাত্র গন্তব্য নির্ধারণ হয়ে যায়, তা হলো *স্বাধীনতা’। ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীনতার ডাক দেন, সে ডাকেই বাঙালী জাতি মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে পরবর্তী করণীয় ও স্বাধীনতা লাভের দিক নির্দেশনা ছিল— ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিল করতে হবে। তিনি আরো বলেন “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এ ভাষণে তিনি প্রতিরোধ সংগ্রাম, যুদ্ধের কলা-কৌশল ও শত্রু মোকাবিলার উপায় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫ শে মার্চ পাকিস্তানী বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর

আক্রমন চালায় এবং নৃশংস গণহত্যা শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে মুহুর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে (অর্থাৎ ২৫ শে মার্চ রাত ১২টার পর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ঘোষণাটি ছিল ইংরেজীতে, যাতে বিশ্ববাসী ঘোষণাটি বুঝতে পারেন।

স্বাধীনতা ঘোষণার বাংলা অনুবাদ

“ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহবান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছে, যাহার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ কর। পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।” (বাংলাদেশ গেজেট, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, ৩রা জুলাই, (২০১১)। স্বাধীনতার এ ঘোষণা বাংলাদেশের সকল স্থানে তদানিন্তন ইপিআর-এর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ. হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র একবার এবং সন্ধ্যায় কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন। ২৭ই মার্চ সন্ধ্যায় একই বেতার কেন্দ্র হতে সামরিক অফিসার মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার সমর্থনে বক্তব্য প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং এর প্রতি বাঙালী সামরিক, আধা সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর সমর্থন ও অংশগ্রহণের খবরে স্বাধীনতাকামী জনগণ উজ্জীবিত হয়। বাঙালীরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়। অসহায় বাংলার জনগণ তখন তাদের সর্বশক্তি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে (বর্তমানে মুজিবনগর) শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠন করা হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণকে নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। মুক্তিবাহিনী প্রধান ছিলেন কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনী ওসমানী। যুদ্ধ পরিকল্পনা অনুসারে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। মুক্তিবাহিনী অস্ত্রশস্ত্রে দুর্বল হলেও গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে পাকিস্তানী বাহিনীকে বেশ নাজেহাল করে ফেলে। মুক্তিবাহিনী দেশের অভ্যন্তরে পাক বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়। এদিকে পাকিস্তানী সৈন্যরা দেশের নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যেতে থাকে। জীবনের নিরাপত্তার জন্য কয়েক লক্ষ মানুষ ভারতের মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় গ্রহণ করে। সারা পৃথিবীর মানুষ পাকিস্তানী সৈন্যদের বর্বরোচিত অত্যাচার ও গণহত্যার নিন্দা করে। এ যুদ্ধে প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ জীবন দেয় এবং বহু মা-বোন নির্যাতিতা হন। রাস্তাঘাট, কালভার্ট, পুল ও কলকারখানা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার ও জনগণ আমাদের সর্বতোভাবে সাহায্য করে। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বাহিনী ও আমাদের মুক্তিবাহিনী মিলে একটি যৌথ কমাণ্ড গঠিত হয়। এ যৌথ বাহিনীর কাছে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করে। প্রায় ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে জন্ম লাভ করে। তাই ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস।

যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, জাতি তাদের নিকট চির কৃতজ্ঞ। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ স্বাধীনতা রক্ষা করা, দেশের ঐক্য সংহতি বজায় রাখা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব কর্তব্য।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!