মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর (১৬০৫-১৬২৭)

সম্রাট আকবরের মৃত্যুর পর তার একমাত্র জীবিত পুত্র সেলিম নূরুদ্দীন জাহাঙ্গীর নাম নিয়ে মুগল সিংহাসনে বসেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশে মুগল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। এ সময় মেবারের রাণা অমর সিংহ মুগলদের বশ্যতা স্বীকার করে এবং কাংড়া দুর্গ মুগলদের দখলে আসে।
 

খসরুর বিদ্রোহ

জাহাঙ্গীরের জ্যেষ্ঠপুত্র খসরু পিতার বিদ্রোহী হয়। জাহাঙ্গীর এ বিদ্রোহ দমন করেন। বিদ্রোহে খসরু পঞ্চম শিখ গুরু অর্জুনের সাহায্য লাভ করেন। খসরুকে অন্ধ করে দেয়া হয়, অর্জুন প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত হন।
 

নূরজাহানের প্রভাব

নূরজাহান ছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী। তার পূর্ব নাম ছিল মেহেরুন নিসা। তাঁর পিতা মির্জা গিয়াস বেগ ইরান থেকে ভারতে আসেন। প্রথমে মেহেরুন নিসার বিয়ে হয় আলী কুলি খানের সাথে। সম্রাট আকবরের শাসনকালে আলী কুলি খান বর্ধমানের জায়গীর লাভ করেন। সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে তিনি বিদ্রোহী হলে তাঁকে হত্যা করা হয়। এক কন্যাসহ মেহেরুন নিসাকে মুগল হেরেমে নেয়া হয়। বিধবা হওয়ার চার বছর পর সম্রাটের সাথে তার বিয়ে হয়। মেহেরুন নিসা অপূর্ব রূপবতী ও গুণবতী মহিলা ছিলেন। ধীরে ধীরে সম্রাটের উপর তার প্রভাব বাড়তে থাকে। সম্রাট তাকে নূরজাহান উপাধি দেন। সম্রাটের নামের সাথে তার নামও মুদ্রায় অঙ্কিত হয়।
 

ভূঁইয়াদের দমন

সম্রাট আকবর বাংলা জয় করলেও সারা বাংলায় মুগল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলার প্রধান প্রধান জমিদারগণ যারা বার ভূঁইয়া নামে পরিচিত ছিলেন তারা মুগল শাসনের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাদের দমনের জন্য ইসলাম খানকে বাংলার সুবাদার করে পাঠান। ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন। ঢাকার নতুন নাম দেয়া হয় জাহাঙ্গীরনগর। তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন। ফলে বাংলায় মুগল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
 

শেষ জীবন

সম্রাট জাহাঙ্গীরের শেষ জীবন সুখের ছিল না। তাঁর জীবদ্দশাতেই প্রথম দু’পুত্রের মৃত্যু হয়। তৃতীয় পুত্র খুররম পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। সেনাপতি মহব্বত খানও বিদ্রোহ করেন। কাবুল যাওয়ার পথে মহব্বত খান সম্রাট ও নূরজাহানকে বন্দী করেন। নূরজাহানের বুদ্ধিবলে সম্রাট মুক্তি পান। বিদ্রোহী মহব্বত খান দাক্ষিণাত্যে গিয়ে যুবরাজ খুররমের সাথে যোগ দেন। এরূপ অশান্তির মধ্যে ১৬২৭ সালে অক্টোবর মাসে সম্রাট জাহাঙ্গীর মৃত্যুবরণ করেন।
 

চরিত্র ও কৃতিত্ব

সম্রাট জাহাঙ্গীরের চরিত্রে বিপরীত গুণাবলির অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছিল। এক দিকে তিনি ছিলেন যেমনি কঠোর, অপর দিকে তেমনি কোমল। তিনি কবি ছিলেন এবং সাহিত্য ও শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। তার আত্মজীবনী ‘তুজুকে জাহাঙ্গীর’ তাঁর সাহিত্য কীর্তির উজ্জ্বল নিদর্শন।
 
সম্রাট শাহজাহান (১৬২৭-১৬৫৮) সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র খুররম সিংহাসনে বসে। শিহাবুদ্দীন মুহাম্মদ শাহজাহান নাম ধারণ করেন।
 

রাজ্য জয়

সম্রাট শাহজাহান তাঁর শাসনকালে বুন্দেলখণ্ডের রাজা জুঝরসিংহ এবং দাক্ষিণাত্যের সুবাদার খান জাহান লোদীর বিদ্রোহ দমন করেন। তাঁর আদেশে বাংলা থেকে পর্তুগীজ জলদস্যুদের উৎখাত করা হয়। তাঁর শাসনামলে আহমদনগর সম্পূর্ণরূপে বিজিত হয়। তিনি গোলকুন্ডা ও বিজাপুরের সুলতানদ্বয়কে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করেন।
 

জাঁকজমক

সম্রাট শাহজাহানের শাসনকাল জাঁকজমক ও বিলাস প্রিয়তার জন্য সর্বাধিক খ্যাতি লাভ করে। তাঁর শাসনামলে স্থাপত্যশিল্পে শ্বেত পাথর, মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হয়। শাহজাহান রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তর করেন। তিনি দিল্লিতে ‘দিওয়ানে আম’ ও “দেওয়ানে খাস” নির্মাণ করেন। সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের স্মৃতি হিসাবে নির্মিত ‘আগ্রার তাজমহল’ সম্রাটের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যশিল্প। স্থাপত্যকর্ম হিসেবে দিল্লির জামে মসজিদ এবং আগ্রার মতি মসজিদ খুব বিখ্যাত। মণি মুক্তাখচিত স্বর্ণমণ্ডিত “ময়ূর সিংহাসন” শাহজাহানের আর এক অপূর্ব সৃষ্টি। দরবারের জাঁকজমক ও বিলাসপ্রিয়তার জন্য শাহজাহানের শাসনকাল বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
 

উত্তরাধিকার সংক্রান্ত যুদ্ধ

সম্রাট শাহজাহানের শেষ জীবন সুখের হয়নি। ১৬৫৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাঁর পুত্রদের মধ্যে সিংহাসনের উত্তরাধিকার নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। সম্রাট শাহজাহানের স্ত্রী সম্রাজ্ঞী মমতাজ বেগমের গর্ভে চার পুত্র ও দুই কন্যা জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পুত্রদের নাম দারা, তজা, আওরঙ্গজেব ও মুরাদ এবং কন্যাদের নাম জাহান আরা ও রওশন আরা। ভ্রাতৃযুদ্ধে আহান আরা দারার পক্ষ এক রওশন আরা আওরঙ্গজেবের পক্ষ সমর্থন করেন। যুদ্ধে অপর ভাইদের পরাজিত করে আওরঙ্গজের ক্ষমতা দখল করেন। দারা ও মুরাদকে প্রাণদণ্ড দেয়া হয়। শুজা আরাকানে পালিয়ে যান। সেখানে তাঁকে হত্যা করা হয়। সম্রাট শাহজাহান দীর্ঘ আট বছর বন্দী অবস্থায় থেকে ১৬৬৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
 

চরিত্র ও কৃতিত্ব

সম্রাট শাহজাহান জনদরদী শাসক ছিলেন। তিনি পুত্র-কন্যাদের খুব ভালবাসতেন। স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালবাসার কোনো তুলনা হয় না। তিনি তাঁর স্ত্রী সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের সমাধির উপর ‘তাজমহল’ নামে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করে তার স্মৃতিকে চিরভাস্বর করে রেখেছেন। তাঁর সৌন্দর্যপ্রীতি ও বিলাসপ্রিয়তা তাঁকে ইতিহাসে বিশেষ স্মরণীয় করে রেখেছে। বহু পণ্ডিত, ঐতিহাসিক ও শিল্পী তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
 
 

সম্রাট আওরঙ্গজেব (১৬৫৮-১৭০৭)

সিংহাসনে আরোহণ

১৬৫৮ সালের জুলাই মাসে আওরঙ্গজেব দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি মুহিউদ্দীন মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব আলমগীর বাদশাহ গাজী উপাধি ধারণ করেন।
 

রাজপুতদের সাথে সম্পর্ক

সম্রাট আকবরের সময় থেকে রাজপুতদের সঙ্গে মুগলদের যে সম্পর্ক ছিল, আওরঙ্গজেবের সময়ে সে সম্পর্কের অবনতি হয়। ১৬৭৮ সালে মাড়োয়ার রাজা যশোবন্ত সিংহ মারা যান। আওরঙ্গজেব যশোবন্ত সিংহের এক আত্মীয়কে যোধপুরের সিংহাসনে বসান, কিন্তু মাড়োয়ারের প্রভাবশালী ব্যক্তিগণ যশোবন্ত সিংহের শিশুপুত্র অজিত সিংহকে সিংহাসনে বসানোর দাবি করেন। রাজপুত নেতা দুর্গাদাসের হঠকারিতার কারণে আওরঙ্গজেবের সাথে রাজপুতদের যুদ্ধ শুরু হয়। মেবারের রাণা রাজসিংহ অজিত সিংহের পক্ষ নেন। অবশেষে ১৬৮১ সালে উদয়পুরের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে রাজপুতগণ মুগলদের সাথে। সন্ধি স্থাপন করেন।
 

দাক্ষিণাত্যনীতি

সম্রাট আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্যনীতির উদ্দেশ্য ছিল বিদ্রোহী পুত্র আকবরকে দমন করা, বিজাপুর ও গোলকুন্ডা দখল করা এবং মারাঠা শক্তির উত্থান প্রতিহত করা। সম্রাট তাঁর উদ্দেশে সফল হয়েছিলেন। বিদ্রোহী পুত্র আকবর পালিয়ে যায়, বিজাপুর ও গোলকুন্ডা মুগল সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসে এবং সম্রাট মারাঠা রাজধানী দখল করেন, কিন্তু এর জন্য সম্রাটকে চরম মূল্য দিতে হয়। এতে তাঁর প্রচুর জনবল ও অর্থ খরচ হয়। উত্তর ভারত থেকে দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত থাকার ফলে সম্রাট উত্তর ভারতের সমস্যার দিকে নজর দিতে পারেননি। তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতির দরুন উত্তর ভারতের শাসনব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়ে। সম্রাটের দাক্ষিণাতানীতি সুফল বয়ে আনেনি। এ নীতি তাঁর দেহ ও মনের উপর প্রভূত চাপ সৃষ্টি করে এবং তাঁকে বিতর্কিত করে তোলে।
 

সম্রাট আওরঙ্গজেবের চরিত্র

আওরঙ্গজেব ছিলেন রণকুশলী যোদ্ধা, দক্ষ কূটনীতিক ও প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। ব্যক্তিগত জীবন ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সকল ক্ষেত্রে তিনি ইসলামের অনুশাসন মেনে চলতেন। কথিত আছে, বলখের যুদ্ধ চলাকালে যখন তীব্র গোলাগুলি চলছিল, তখন তিনি শত্রু-মিত্র সকলকে হতবাক করে ঘোড়া থেকে নেমে জোহরের নামাজ আদায় করেন। আল্লাহর প্রতি অটুট বিশ্বাসের এরূপ নমুনা ইতিহাসে কমই দেখা যায়। কোনো প্রকার বিলাসিতা তাঁকে কখনো স্পর্শ করতে পারেনি। কুরআন শরীফ লিখে এবং নিজের হাতে টুপি সেলাই করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। কথিত আছে, টুপি সেলাই করে যে পয়সা তিনি রোজগার করেন। তার এক অংশ তাঁর কাফনের কাপড় খরিদ করার জন্য রেখে গিয়েছিলেন। তিনি প্রজাদরদী শাসক ছিলেন। উপযুক্ত হলে তিনি বিধর্মীকেও উচ্চ রাজকাজে নিযুক্ত করতেন। যশোবন্ত সিংহ ও জয়সিংহের ন্যায় অনেক হিন্দু নাগরিক উচ্চ রাজকাজে নিয়োজিত ছিলেন। আওরঙ্গজেব আলেম-উলামা ও জ্ঞানী-গুণীদের সমাদর করতেন। তিনি একজন মহান শাসক ছিলেন। প্রায় পঞ্চাশ বছর রাজত্ব করার পর ১৭০৭ সালে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি ছিলেন মুগল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট।
 

সম্রাট আওরঙ্গজেবের কৃতিত্ব

সম্রাট আওরঙ্গজেব সিংহাসনে আরোহণের পরেই ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে বিভিন্ন বিদ্রোহ দমন করেন। তিনি আসামে অহমদের এবং উত্তরবঙ্গে কোচদের দমন করেন। বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম দখল করেন এবং আরাকানের মগদের দমন করেন। চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ থেকে পুর্তগীজ জলদস্যুদের বিতাড়িত করা হয়। উত্তর-পশ্চিম সীমান্তেও তিনি আফগান উপজাতিদের দমন করেন।
 
মুগল বংশের পতন : আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুগল বংশের ক্রমাবনতি ও পতনের ধারা সূচিত হয়। আওরঙ্গজেবের উত্তরাধিকারীগণ সবাই ছিলেন দুর্বল। তারা রাজকাজে অমনোযোগী ছিলেন। বিশাল মুগল সাম্রাজ্য ধরে রাখার মতো ক্ষমতা তাদের ছিল না।
 

উত্তরাধিকারীগণ

সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র মোয়াজ্জম দিল্লীর সিংহাসনে বসেন। তিনি বাহাদুর শাহ আলম উপাধি গ্রহণ করেন। তাঁর পরবর্তী উল্লেখযোগ্য সম্রাট ছিলেন ফররুখ সিয়ার। তাঁর শাসনামলে সৈয়দ হোসাইন ও সৈয়দ আবদুল্লাহ নামে দু’ভাই রাষ্ট্রে সর্বেসর্বা হয়ে ওঠেন। ফররুখ সিয়ারের পর সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয় বাহাদুর শাহের পুত্র মুহাম্মদ শাহকে দিল্লির সিংহাসনে বসান।মুহাম্মদ শাহের পর তাঁর পুত্র আহমদ শাহ দিল্লির সম্রাট হন। তারপর পাদনার সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় আলমগীর। তিনি তাঁর উঘির ইমামুল মুলকের হাতের পুতুল ছিলেন।
 
 

আমীরদের স্বার্থপরতা

দুর্বল সম্রাটদের শাসনামলে মুগল আমীরগণ ব্যক্তি স্বার্থকে দেশের স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে থাকেন। তাঁরা ছিলেন তিন ভাগে বিভক্ত-হিন্দুস্থানি আমীর, ইরানি আমীর ও তুরানি আমীর। তাঁরা পারস্পরিক গোষ্ঠী কলহে লিপ্ত হয়ে পড়েন।
 

নাদির শাহের ভারত আক্রমণ

সম্রাট মুহাম্মদ শাহের শাসনামলে ১৭৩৯ সালে। পারস্যের নাদির শাহ ভারত আক্রমণ করেন। তিনি মুগল সাম্রাজ্যের জীবনীশক্তি প্রায় নিঃশেষ করে দিয়ে যান।
 

আহমাদ শাহ আবদালীর ভারত আক্রমণ

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী প্রান্তরে সিরাজুদ্দৌলার ষড়যন্ত্রমূলক পরাজয়ের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটে। এ অঞ্চলে মুসলিম শাসনের অবসান ভাবীকালে সমগ্র ভারতের মুসলমানদের কী পরিণতি ডেকে আনতে পারে, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ রহমাতুল্লাহে আলাইহের দূর দৃষ্টিতে তখনই তা ধরা পড়ে। দিল্লিতে অধিষ্ঠিত মুগল শাসকদের তিনি বিভিন্নভাবে সতর্ক করতেন, কিন্তু বিলাসিতার স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয়া শাসকদের তাঁর সতর্ক বাণী কানে তোলার সৌভাগ্য হয়নি। অন্য দিকে জাঠ, মারাঠা, রাজপুত শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং দিন দিন শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে। মুসলিম রাজশক্তির দুর্বলতার সুযোগে তারা মুসলমানদের নানা ভাবে জুলুম নিপীড়ন শুরু করে দেয়। তখন শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী রহমাতুল্লাহে আলাইহি আহমদ শাহ আবদালীকে ভারত আক্রমনের আহবান জানান।
তার আহবানে সাড়া দিয়ে আহমাদ শাহ আবদালী ভারত আক্রমন করেন। পানিপথের প্রান্তরে তিনি জাঠ, মারাঠা ও রাজপুতদের সম্মিলিত শক্তির মুখোমুখি হন। এখানে অসংখ্য জাঠ, মারাঠা ও রাজপুত নিহত হয়। আর তাদের পুনরায় মাথা তোলার শক্তি নিঃশেষ হয়ে যায়।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!