হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় – হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত

আপনি হয়তো এখনো জানেন না যে হস্তমৈথুন কতটা ভয়াবহ একটি কাজ। আর এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর। আজকে আমি হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় এবং হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত কিংবা এটি করায় উচিত কিনা সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরব। তাই অবশ্যই আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

হস্তমৈথুন ইসলাম ধর্মে সম্পন্নই হারাম। এর ফলে আপনি অনেক গুনাহের অধিকারী হয়ে যান। তাই অবশ্যই আমাদের সকলের হস্তমৈথুন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাহলে চলুন এখন হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় এবং হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত কিংবা উচিত নয়।

পোস্ট সূচিপত্রঃ হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় – হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত

  • ভূমিকা
  • হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায়
  • হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত
  • অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য জনিত সমস্যা সমাধান
  • হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব ইসলাম
  • হস্থমৈথুন ছেড়ে দিলে কি পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায়
  • হস্ত মৈথুন করলে কি বাচ্চা হবে না
  • হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা
  • হস্তমৈথুন নিয়ে শেষ কথা

ভূমিকা

হস্তমৈথুন এর ক্ষতি কাটিয়া উঠার উপায় জানতে হলে অবশ্যই আমাদের জানা উচিত যে হস্তমৈথুন কি? হস্তমৈথুন এর ইংরেজি হল masturbation ও onanism। হস্তমৈথুন হলো কোন ধরনের বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে ছাড়াই নিজেই নিজের যৌ*ন সুখ উপভোগ করা। যেকোনো পুরুষ অথবা নারী যদি এখানে পুরুষ অথবা নারী বলা ঠিক হবে না উঠতে বয়সের তরুণ কিংবা তরুণী যদি নিজে নিজে একা একা একা অথবা বিভিন্ন যৌ**ন উত্তেজনা বস্তু ব্যবহার করে যৌ**ন তৃপ্তি নিতে চায় তাহলে তাকে হস্তমৈথুন বলা হয়।

বিভিন্ন ধর্মে হস্তমৈথুনের বৈধতা থাকলেও ইসলাম ধর্মের সম্পন্ন এটি হারাম এবং এটি করা খুবই পাপের একটি কাজ। উঠতি বয়সের তরুণ তরুণরা অনেকেই এই হস্তমৈথুনের সাথে জড়িয়ে পড়েন এর ভয়ঙ্কর দিক না জানার ফলে। এই হস্তমৈথুন যেমনি ইসলাম ধর্মে হারাম তেমনি একজন মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর ও ভয়ঙ্কর। তাই আজকে আমরা হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায়গুলো সম্পর্কে জেনে নিব। এছাড়াও জেনে নিব আমাদের হস্তমৈথুন করা উচিত কিনা এবং মারা গেল কতদিন পর পর হস্তমৈথুন করা যায়। তাহলে চলুন এবার চলে যায় মুল আলোচনা।

হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায়

এখন আমরা জানবো হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায়। একজন উঠতি বয়সের তরল তরুণীরা হস্তমৈথুনের সাথে পুরোপুরি ভাবে জড়িত হয়ে যায় বুঝে না বুঝে। হলে এতে করে দিন দিন তাদের শরীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে এবং শরীরে বিভিন্ন রোগ জীবাণুর সংক্রমণ বাড়তে থাকে। কেননা নিয়ম ব্যতীত অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার ফলে একজন মানুষের দেহের রক্ত কমে যায়, ক্যালসিয়াম কমে যায়, পুষ্টি কমে যায় এবং সে দুর্বল হয়ে যায় দিন দিন।

তাই অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় সম্পর্কে। তাহলে চলুন এখন আমরা জেনে নেই হস্তমৈথুনের ক্ষতি-ঘাটে উঠার উপায় গুলো কি কি রয়েছে। প্রথমত আপনি যদি অতিরিক্ত হস্তমৈথনে লিপ্ত হয়ে যান তাহলে হস্তমৈথুনের পরে নিয়মিত মধু খান অথবা খাঁটি ছানার সন্দেশ খান। এতে করে আপনার হস্তমৈথুনের ফলে যে শক্তি শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে তার সাথে সাথে উৎপন্ন হয়ে যাবে।

আরো পড়ুনঃ দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ

এছাড়া নিয়মিত খেজুর খান খেজুর শরীরের বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতি মিটিয়ে থাকে। তাই আপনি যদি নিয়মিত হন করে থাকেন তাহলে অবশ্যই নিয়মিত প্রতিদিন সকাল এবং সন্ধ্যা খেজুর খাওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার ফলে শরীর থেকে ভালো ভালো উপাদান গুলোই বেরিয়ে কমে যায় তাই অবশ্যই আপনাকে এ সময় আমিষ যুক্ত খাবার খেতে হবে নিয়মিত। রাতে শোবার সময় প্রতিদিন নিয়মিত সিদ্ধ ডিম এবং গরম দুধ খেতে হবে।

এছাড়াও প্রতিদিন রাতে শোবার সময় ছোলা ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা এবং ভিজিয়ে রাখা পানি খেতে হবে। এতে করে আপনি হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এতে যদি হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার সম্ভব না হয় তাহলে অবশ্যই আপনার একজন ভালো ডাক্তারের বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে হস্তমৈথুনের ক্ষতিকাঠে উঠা যায়। আশা করি হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় গুলো এখন আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। হস্তমৈথুনের ক্ষতি অনেক।

হস্তমৈথুনের ক্ষতি কী করে পূরণ করা যায়

প্রথমেই, পর্ন বা মাস্টারবেশন থেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকা উচিত। এগুলা করলে শারীরিক ক্ষতি পূর্ণরূপে পরিহার করা অসম্ভব। পরিশ্রম করে প্রতিদিন প্রচুর পানি, সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, কলা, বাদাম, খেজুর, কিশমিশ, এবং আঙ্গুর খাবেন। আরো যদি কালোজিরা খাওয়া যায়, তাহলে খাওয়া উচিত। আপনি যদি কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম জানতে চান, তাহলে এটি ভাতের সাথে ভর্তা করে খাওয়া যেতে পারে অথবা তার তেলে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। সকালে খালি পেটে এক চা চামচ মধু এবং তেল বা মধু এবং কালোজিরা খেতে পারেন। আরো যে যেমন মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাবার খাবেন, তা তুলনামূলকভাবে সামান্য রাখুন। পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। এছাড়াও সকল ধরণের ভাজা ও ফাস্টফুডের অত্যাবশ্যক খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।

সকালে ১৫-২০ মিনিট সূর্যের আলোতে একটু সময় পাওয়ার চেষ্টা করুন। সূর্যের আলো ব্যবহার করে ভিটামিন ডি উৎপন্ন করা হয়, যা টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এই বিষয়ে ডা. জাহাঙ্গীর কবির সারের ভিডিওগুলো অনুসরণ করতে পারেন। রাতে ১১ টার মধ্যে ঘুমাতে চেষ্টা করুন, তা হলে দেরি করা যাবে না। সকালে সকালে উঠতে চেষ্টা করুন এবং প্রয়াতে দুপুরে একটু ঘুমাতে চেষ্টা করুন। জিংক এবং ফোলিক এসিডের ধারাবাহিক খাবার গ্রহণ করুন যাতে বীর্যের শুক্রাণু ও তাদের গুণাগুণ বৃদ্ধি পাওয়া যায়।

ভিটামিন এ, সি, ডি, ই, জিংক এবং ফোলিক এসিড, জিনসেং, অশ্বগন্ধা, কড লিভার ওয়েল, পিংক সল্ট ইত্যাদি যে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যায়, সেগুলি নিয়ে আপনার চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন যাতে আপনার শরীরের অবস্থা ঠিকমতো বোঝা যায় এবং সঠিক ডোজ নির্ধারণ করা যায়। জিনসেং সাপ্লিমেন্ট ও রসুন লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যায় প্রভাব ফেলে, সে কারণে এগুলি একটি টনিকের মতো কাজ করে। প্রতিদিন খালি পেটে একটি কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন।

সবার আগে আল্লাহর দরবারে বেশি দোয়া করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কোরানে আল্লাহ বলেন, “আর যদি তোমাদের কোন দুঃখ পৌঁছে তবে তা দূর করার জন্য আল্লাহকে বিনীতভাবে ডাকো” (সূরা আন নাহল, আয়াত ৫৩)। এটি প্রাথমিক চিকিৎসার একটি উপায়। সাধারণত পর্ন দেখার পরে লিঙ্গের কার্যক্ষমতা বা ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের (PIED) সমস্যা হতে পারে। পর্ন দেখার অভ্যন্তরীণ প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থা সুধার জন্য একটু ভালো খাবার এবং পর্ন মাস্টারবেশন কমাতে হবে। এছাড়াও, ইউরোলজিস্ট বা স্কিন এন্ড সেক্স এক্সপার্টের সাথে যোগাযোগ করা উচিত যদি লিঙ্গে কোনও সমস্যা থাকে। এছাড়াও, মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদার ডাক্তার একে অপরের পরামর্শ দিতে পারেন যাতে লজ্জা না পাওয়া যায়। এই সব প্রস্তাবনা মেনে চলা উচিত, এবং ইনশা আল্লাহ্‌ প্রত্যাশা করা উচিত।

হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত

অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন যে হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত বা প্রতি সপ্তাহে কতবার করে হস্তমৈথুন করা যায়। অনেক তরুণ তরুণী রাই হস্তমৈথুনের সাথে পুরোপুরি ভাবে জড়িয়ে যাওয়ার ফলে তারা অতিরিক্ত হারে হস্তমৈথুন করে ফেলে। কেউ কেউ তো আবার দিনে দুই তিনবারও হস্তমৈথুন করে থাকেন। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে সপ্তাহে পাঁচবারের বেশি হস্তমৈথুন করা কখনো ঠিক নয়।

এতে করে একজন মানুষ নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। আপনি যদি ৫ দিনের বেশি হস্তমৈথুন করে থাকেন তাহলে আপনি দেখবেন যে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার চোখে ঝাপসা দেখছেন। কোন কিছু ঠিকমতো মনে রাখতে পারছেন না, অল্পতে রেগে যাচ্ছেন ইত্যাদি। আশা করি এখন আপনি হস্তমৈথুন সপ্তাহে ৫ দিনের বেশি করা উচিত নয় সেটি ভালোভাবে জানতে পেরে গেছে।আর তা মেনে চলার চেষ্টা করবেন অবশ্যই।

আপনাদের মধ্যে অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন যে হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত। এর মানে আপনারা বুঝাতে চেয়েছেন যে হস্ত মৈথুন কত দিন পর পর করা উচিত। তাহলে চলুন এখন আমরা সেই বিষয়ে সমস্ত কিছু জেনে নিব একদম সঠিকভাবে। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে হস্ত মৈথুনের সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন পর করা উচিত। অর্থাৎ আপনি যদি নিয়মিত হস্তমৈথুন করেন তাহলে আপনার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিবে এতে করে আপনি নানা রকম বিপদের মুখে পড়বেন।

আমরা জানি যে হঠাৎ তম একটি বদ অভ্যাস এবং এটিতে একবার কেউ আসক্ত হয়ে গেলে সেটি দ্রুত থাকতে পারেন না ফলে বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা যায়। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণরা এই ধরনের কাজে জড়িত হয়ে যায়। সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে তাই অবশ্যই আমাদের পূর্ব থেকেই হস্তমৈথনের ভালো দিক এবং খারাপ দিক সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত। এবং এটি কতদিন পর পর করা উচিত সেটিও জানা অবশ্যই দরকার।

এখন আমি আপনাদেরকে বিস্তারিত ভাবে বলে দিলাম কতদিন পর করা উচিত। আপনি চাইলে আপনার সপ্তাহে অর্থাৎ সাত দিনের মধ্যে ৩ দিন থেকে ৪ দিন সর্বোচ্চ তিন থেকে চার বার হস্ত মৈথুন করা উচিত। এটা করে আপনার শরীরের বড় ধরনের কোন সমস্যা দেখা দেবে না।

এটি স্বাভাবিক বলা যায়। তাহলে আশা করি এখন সম্পূর্ণ বিষয়টি ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পেরেছেন। এখনো যদি বুঝতে কোথাও অসুবিধা হয়ে থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন আমি আরো বিস্তারিত ভাবে আপনাকে বুঝিয়ে দেব।

হস্ত মৈথুনের পর কি খেতে হবে

আপনাদের মধ্যে অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকেন হস্ত মৈথুনের পর কি খেতে হবে লিখে। তাহলে চলুন এখন আমরা সেই সম্পর্কে জানব। হস্ত মৈথুনের পর কি খেতে হবে? হস্ত মৈথুনের পর বিশেষ করে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যাতে করে শরীরের ঘাটতি পূরণ হয়। পুষ্টিকর খাবার বলতে দুধ, ডিম, মধু, ছোলা এবং ছোট মাছ সামুদ্রিক মাছ এই পাঁচটি খাবার আপনার হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার সাহায্য করবে।

তাই অবশ্যই হস্ত মৈথুনের পর এ খাবার গুলো খেতে হবে আপনাকে নিয়মিত।কেননা বন্ধুত্বের প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা শরীরের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করে। এছাড়াও আমরা জানি যে দুধ ডিম সুষম খাবার এবং পুষ্টিকর খাবার। এই খাবারগুলোতে সকল ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

আর কাঁচা ছোলা পুরুষদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি খাবার। তাই নিয়মিত এটিও খেতে হবে। তাহলে আশা করি এখন আপনি হস্ত মৈথুনের পর কি খেতে হবে সেই সম্পর্কে জানতে পেরে গেছেন। লেখাটি ভাল লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন এতে করে তারা উপকৃত হবে।

হস্ত মৈথুনের ঔষধ

এখন পর্যন্ত আমি আপনাদেরকে হস্ত মৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত বলে দিয়েছি । এখন জানবো হস্ত মৈথুনের ঔষধ সম্পর্কে। তাহলে চলুন এখন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক। হস্ত মৈথুনের ঔষধ হোমিও চিকিৎসা। একমাত্র হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমেই দ্রুত হস্তমৈথুন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

চিকিৎসায় হস্ত মৈথুনের ঔষধ হল নাক্স ভামিকা, ফসফরিকাম আসাডাম, স্ট্যাফিসেগ্রিয়া, ল্যাকোপোডিয়াম ক্লাবটাম, ন্যাট্রাম কার্বোনিকা, ক্যালাডিয়াম সেগুইনা, অগ্নিউস কাস্টা, মোসাচুস মশিফেরা স্যালিক্স নিগ্র, অগ্নিউস কাস্টাস সবগুলো কিন্তু হস্ত মৈথুনের কার্যকরী ঔষধ। আর এগুলো শুধু তেমন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হবে না আপনার জন্য।

এ সকল ওষুধ বাদে তো আপনি যদি অন্য হাবিজাবি ওষুধ খান তাহলে আপনার এই সমস্যা সমাধান হলেও নানা রকম সমস্যা আরো তৈরি হবে। তাই অবশ্যই হস্ত মৈথুনের ঔষধ খাওয়ার আগে ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। এবং সেই অনুযায়ী ঔষধ খাবেন তাহলেই আপনি অতি দ্রুত হস্তমৈথুনের বদ অভ্যাস থেকে মুক্তি পাবেন। না আশা করি এখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

এখন আমরা জানবো হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে। অন্যান্য যেকোনো চিকিৎসার চেয়ে হস্ত মৈথুনের সবচেয়ে ভালো এবং কার্যকারী চিকিৎসা হচ্ছে প্রাকৃতিক চিকিৎসা। এখন আমরা সেই সম্পর্কে জানব বিস্তারিতভাবে। হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা বলতে প্রকৃতিগত যেগুলো চিকিৎসা রয়েছে সেগুলো বুঝে থাকে।

তাই হস্তমৈথুন করার পূর্বে আপনাকে ভাবতে হবে এটি একটি পাপ কাজ এবং এ কাজ পৃথিবীর কোন মানুষ না দেখলেও আপনার সৃষ্টিকর্তা কিন্তু দেখছেন। আর এরকম যখন চিন্তা ভাবনা আসবে আপনার মনে তখন আপনি হস্তমৈথুন করতে পারবেন না। এছাড়াও আপনাকে নিয়মিত ধর্মীয় রীতিনীতি গুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে। এতে করে আপনি হস্তমৈথুনের মত মত অভ্যাসে অভ্যস্ত হবেন না।

আমরা জানি যে আমাদের সে*ক্স হরমোন কিন্তু প্রাকৃতিকভাবেই হয়ে থাকে। আর মানুষের ব্রেন খারাপ কোন কিছু দেখার ফলে এই হরমোন জাগ্রতিক হয় এবং উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফলে একজন মানুষ হস্তমৈথুনের মতো মতভ্যাসে লিপ্ত হয়। তাই খারাপ কোন ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

এবং বিপরীত লিঙ্গের কোন আকর্ষণীয় ফিঙ্গার বা যে কোন আকর্ষণীয় অঙ্গভঙ্গি দেখা যাবে না। এগুলো আপনি মেনে চলতে পারলেই আপনার আর হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসার প্রয়োজন হবে না।তাহলে আশা করি এখন সম্পূর্ণ বিষয়টি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর দিক হস্তমৈথুন  জনিত সমস্যা সমাধান 

এখন আমরা জানবো হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর দিক অতিরিক্ত হস্তমৈথুন  জনিত সমস্যা সমাধান কিভাবে করা যায়। আপনি যদি নিয়মিত অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে থাকেন। তাহলে দেখবেন এতে করে আপনি বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ে যাবেন। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কিছু মনে রাখতে না পারা এবং অল্প কারণেই মেজাজ গরম হয়ে যায় এবং যে কারো ভালো কথাতেও অসহ্য লাগা। তাই অবশ্যই আমাদের এই ধরনের অতিরিক্ত হস্ত মৈথুন  জনিত সমস্যা সমাধান সম্পর্কে আগে থেকে জেনে থাকা দরকার।

তাহলে তুলুন এখন আমরা জেনে নেই অতিরিক্ত হস্তমৈথুন  জনিত সমস্যা সমাধানগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত। আমাদের দেশের অধিকাংশ তরুণ তরুণীরা বিভিন্ন ধরনের পুরনো*গ্রাফি ওয়েবসাইট দেখে অতিরিক্ত হস্তমৈথনে জড়িত হয়ে যায়। আর এই ধরনের অতিরিক্ত  জনিত সমস্যা সমাধান হলো হস্তমৈথুন চিরতরে ছেড়ে দেওয়া যেটি মোটেও সহজ কাজ নাই। তাই হস্তমৈথুনের জড়িয়ে যাওয়ার তরুণ তরুণীদের ধীরে ধীরে এবং বস্তি ছেড়ে দিতে হবে। কত দিন পর পর হস্তমৈথুন করা উচিত সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন পর পর হস্তমৈথুন করা উচিত।

এবং যখনই হস্তমৈথুনের চিন্তা মনে জাগ্রত হবে তখনই মানুষজনদের সাথে মিশে যেতে হবে কিংবা যেকোনো ধরনের কাজে ব্যস্ত হয়ে যেতে হয়। এতে করে আপনি আর সময় পাবেন না এগুলো করার। আর এ ধরনের অভ্যাসে যদি আপনি অভ্যস্ত হয়ে যান তাহলে দ্রুত হতে তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলুন। আর তা না হলে দিন দিন যদি হস্তমৈথুন করা আপনার অতিরিক্ত হারে বেড়ে যায়। তাহলে পরবর্তীতে আর বিয়ে করতে ইচ্ছে করবে না এবং আপনি বিয়ে করে স্ত্রীকে পরিপূর্ণ তৃ*প্তিও দিতে পারবেন না।

আরো পড়ুনঃ প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ জানুন

অতিরিক্ত হস্তমৈথুন  জনিত সমস্যার আরো একটি ভালো সমাধান তরুণ বয়সে কখনো একা একা থাকবেন না কিংবা একা ঘরে ঘুমাবেন না যে কারো সাথে ঘুমান এবং সঙ্গে একজন বয়জ্যোষ্ঠকে রাখুন। এতে করে আপনার মনোভাব কখনো হস্তমৈথুনের দিকে যাবে না। আশা করি এখন আপনি অতিরিক্ত হস্ত মৈথুন জনিত সমস্যা সমাধান পেয়ে গেছেন সঠিকভাবে।

হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব ইসলাম

এখন আমরা হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব ইসলাম কি বলে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিব। শুরু থেকে যদি আমি বলেই আসছি যে হস্তমৈথুন একটি ভয়ংকর জঘন্যতম কাজ এবং হস্তমৈথুন করা কিন্তু স্বার্থের জন্য অনেক ক্ষতিকর। যার ফলে ইসলাম ধর্ম কখনো হস্তমৈথুন করে কে সমর্থন করে না। এবং এটি একদম নিষিদ্ধ হারামির সন্তান। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের করার ফলে আপনার সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটি হতে পারে তা হলো আপনার শরীর স্বাস্থ্য শুকিয়ে যাবে এবং গাল বসে যাবে বা ভেঙ্গে যাবে।

আপনি চোখে ঝাপসা দেখবেন ঠিক মত দেখতে পাবেন না এমনকি চোখ দিয়ে জোনাকি ছুটছে এমন মনে হবে। এছাড়াও আপনার স্মৃতি শক্তি দিন দিন কমে যেতে থাকবে। এবং মেজাজ সবসময় অত্যাধিক গরম থাকবে যে কারো ভালো কথা আপনার খারাপ মনে হবে। আর এ সকল কার্যকলাপ ইসলাম ধর্মে কখনোই প্রাধান্য দেয় না। তাই এখানে স্পষ্ট ভাবে বলা যায় যে হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব ইসলাম কখনো মেনে নেয় না এটি একেবারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হস্থমৈথুন ছেড়ে দিলে কি পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায়

অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন কিংবা প্রশ্ন করে থাকেন যে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিলে কি পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায়। এখন আমি সেই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব তাহলে চলুন দেরি না করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন। হস্তমৈথুন ছেড়ে দিলে পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায় তবে আগের মতো শক্তি পাওয়া যায় না। একজন তরুণরা হয় দুর্বার এবং দুরন্ত। তবে এই তরুণ বয়সে কেউ যদি হস্তমৈথনে লিপ্ত হয়ে যায়।

তাহলে তার এই দুর্বার ও দুরন্ত শক্তি ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে যা ফিরিয়ে আনা কখনোই সম্ভব না। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে শরীরে যে ঘাটতি তৈরি হয় সেটি কিছুটা পূরণ করা যায় আমি যুক্ত খাবার খেয়ে কিংবা বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিযুক্ত খাবার খেয়ে। কিন্তু সম্পূর্ণরূপে একজন তরুণের শক্তি ফিরিয়ে আনা কখনো সম্ভব হয় না।

হস্তমৈথুন ছেড়ে দিলে পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায় এ কথা যেমন ঠিক আছে তেমনি ঠিক আছে আগের মত শক্তি ফিরে পাওয়া যায় না। তাই বলে আপনি আবারো হস্তমৈথুন করতেই থাকবেন এটি একদম ঠিক নয় এতে করে আরো বেশি ক্ষতি সমর্থন হবেন। তাই অবশ্যই হস্তমৈথুনের মতো এ ধরনের বদ অভ্যাস ছেড়ে দিতে হবে আপনি আপনার শক্তি ফিরে পেতে চাইলে।

হস্ত মৈথুন করলে কি বাচ্চা হবে না

অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন কিংবা বলে প্রশ্ন করে থাকেন যে হস্ত মৈথুন করলে কি বাচ্চা হবে না। তাহলে চলুন এখন আমরা এই বিষয়ে সরাসরি বিস্তারিত সঠিক তথ্য জেনে নেই। আপনি হয়তো জানেন যে একজন পুরুষের শরীরে অসংখ্য শুক্রাণু থাকে যা একজন নারীর ডিম্বাণুতে গিয়ে মিলিত হয়ে বাচ্চার জন্ম দেয়। তাই এখানে বলা যায় একজন পুরুষ যখন নিয়মিত অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে এর ফলে তার শুক্রাণু দিন দিন কমে যেতে থাকে অনেকের বী**র্য পাতলা হয়ে যায়।

ফলে এই ধরনের দুর্বল শুক্রানো গিয়ে কোন নারীর ডিম্বাণুতে মিলিত হয়ে বাচ্চা জন্ম দিতে পারেনা। আর এটি শুধু অতিরিক্ত হস্তমৈথুন কারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। আমরা উপর থেকে জেনে গেছি যে সপ্তাহে পাঁচবারের বেশি হস্তমৈথুন করলে সেটাকে অতিরিক্ত ধরা হয়। আপনি যদি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার হস্তমৈথুন করে থাকেন তাহলে আপনার শুক্রাণু ঠিক থাকবে এবং এতে তেমন কোন বড় ধরনের সমস্যা হবে না। আশা করি হস্ত মৈথুন করলে কি বাচ্চা হবে না নাকি হবে এ বিষয়টি এখন ভাল মত বুঝতে পেরেছেন আপনি।

হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

এখন আমরা জানবো হস্ত মৈথুনের প্রাকৃতিক চিকিৎসা কি কি রয়েছে। আপনি হয়তো জানেন যে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন কারী দিন দিন ধীরে ধীরে তার যৌন শক্তি হারিয়ে ফেলে। মানে এই কাজটি থেকে আমাদের সকলকে বিরত থাকা উচিত এবং কেউ যদি এই কাজে ভুলবশত জড়িয়ে যায় তবে পূর্ব থেকে চিকিৎসা করা উচিত। সর্ব প্রথমে কখনো যদি আপনার হস্তমৈথুন করার মনোভাব জাগ্রত হয় তাহলে অবশ্যই মনে মনে ভাবুন উপরের সৃষ্টি কর্তা আপনাকে দেখছেন।

আরো পড়ুনঃ ফেসবুকে নিজেকে জনপ্রিয় করার উপায় এবং সুন্দরি মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব

দ্বিতীয়তঃ যখন আপনি অতিরিক্ত হস্তমৈথনে জড়িয়ে যাবেন তখন অবশ্যই আপনাকে বিয়ে করে নিতে হবে। আপনি যদি সঠিক বয়সে বিয়ে করে নেন তাহলে আপনি এই ধরনের জঘন্যতম হস্তমৈথনের কাছ থেকে বেঁচে যাবেন। একমাত্র বিয়েই পারে মানুষকে হস্তমৈথুন থেকে বিরত রাখতে। এছাড়া মুসলিম ধর্মের রোজা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা হস্তমৈথুনের মতো জঘন্য কাজ থেকে বিরত রাখে মানুষকে। এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরনের এডাল্ট ছবি দেখা বন্ধ করে দিন।

কিংবা বেগানা নারী পুরুষের দিকে তাকানো বন্ধ করে দিন। এতে করে আপনার ব্রেনে কোন ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি হবে না। যার ফলে আপনার হস্তমৈথুন করতে ইচ্ছা হবে না। আপনি যদি অশ্লীল ছবি দেখেন কিংবা অশ্লীল কোন মেয়েদেরকে দেখেন তাহলে আপনার ব্রেনে উত্তেজনা বাড়তে থাকবে ফলে আপনার হস্তমৈথুনের মত কাজ করতে ইচ্ছা হবে। তাই এ সকল কার্যক্রম থেকে অবশ্যই আপনাকে বিরত থাকতে হবে। আশা করি চিকিৎসা গুলো বুঝতে পেরেছেন।

হস্তমৈথুন নিয়ে শেষ কথা

হস্তমৈথুন নিয়ে শেষ কথা হল এই যে আপনি যদি আমার এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে কিছুটা হলে উপকৃত হয়েছে। হস্তমৈথুন সম্পূর্ণ একটি খারাপ কাজ এবং এ থেকে বিরত থাকা আমাদের সকলের কর্তব্য। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশগুলোতে এখন অতিরিক্ত বয়সে ছেলেমেয়েরা বিয়ে করার কারণে এ ধরনের জঘন্য খারাপ কাজে জড়িয়ে যাচ্ছে। তাই আমাদের পরিমিত বয় সেই বিয়ে করতে হবে।

এতে করে আমাদের সমাজের ভালো হবে। আমাদের সমাজ ব্যবস্থার অপব্যবস্থার ফলে কিন্তু এই হস্তমৈথুনের হাত দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তাই প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের আগে থেকে জেনে রাখা উচিত সন্তান বড় হয়ে গেলে তাকে সময়মতো বিয়ে দিতে হবে। আর যারা তরুণ তরুণী রয়েছেন তাদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। হস্তমৈথুন একটি জঘন্যতম শংকর কাজ এবং এটি করা থেকে আপনাদের অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

কেননা এটি ইহকাল এবং পরকাল দুই কালের জন্যই আপনার জীবনে ভয়ানক হয়ে দাঁড়াবে। আর এই কাজের জন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি একটু যদি উপকৃত হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই লেখাটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন তারাও যেন এ বিষয়ে সঠিক তথ্যগুলো জানতে পারি।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!