কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম – কাতিলা গাম দাম

Rate this post

প্রিয় পাঠক বিন্দু আজকে আমরা জানবো কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম ও কাতিলা গাম দাম সম্পর্কে। কাতিলা গাম ও তালমাখনা অত্যন্ত উপকারী ভেষজ ওষুধ। যৌবন শক্তি বৃদ্ধিতে কাতিলা গাম ও তালমাখনার ব্যাপক ভুমিকা রয়েছে ও ভেষজ গুণাবলি রয়েছে।

যার জন্য পুরুষদের যৌ*ন শক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকারী কাজ করে থাকে। আজকে আমরা এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে কাতিলা গামের উপকারিতা, কাতিলা গাম কখন খেতে হয়, তাতি লাগাম ও তালমাখানা খাওয়ার নিয়ম সহ কাতিলা গাম খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য গুলো জেনে নিব।

কাতিলা গামের উপকারিতা

কাতিলা গামের উপকারিতা রয়েছে অসংখ্য যেমন শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, যৌ*ন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টির যোগান দেয়, শরীরের ত্বককে বলিরেখাহীন ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

কেননা এটি ভেষজ গুনে গুণান্বিত। যার জন্য এর ভেষজ গুণাবলীর কারণে কাতিলা গামের উপকারিতা অনেক বিশেষ করে হস্তমৈথুনের ক্ষতিপূরণ এর জন্য কাতিলা গাম খেলে পারে আপনার দুর্বলতা কাটবে এবং শরীরের যৌ*ন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও সহবাসে সময় বাড়াতে কাতিলা গামের উপকারিতা রয়েছে। তাহলে চলুন এবারে কাতিলা গামের উপকারিতা সম্পর্কে আরও বেশ কিছু তথ্য পয়েন্ট আকারে জেনে নিন।

  1. শরীরের ক্লান্তি দূর করতে নিয়মিত কাতিলা গাম খেতে পারেন।
  2. প্রতিদিন দুইবার কাতিলা গাম পানিতে ভিজিয়ে মধু ও লেবুর রস দিয়ে খেতে হবে।
  3. হজম শক্তির জন্য ও স্বাস্থ্যের জন্য কাতিলা গাম  বেশ উপকারী।
  4. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে কাতিলা গাম ।
  5. হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করে কাতিলা গাম।
  6. সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে এবং শরীরকে শীতল রাখে কাতিলা গাম।
  7. শরীরের বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে কাতিলা গাম ।
  8. ত্বকের বলিরেখা ও ব্রণ দূর করতে বেশ উপকারী কাতিলা গাম।
  9. পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ ভালো কাজ করে কাতিলা গাম।
  10. কাতিলা গামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যা চুল পড়া রোধ করে এবং চুলকে শক্ত ও মজবুত করে।
  11. ব্রেকআউট এবং পোড়া থেকে মুক্তি পেতেও সাহায্য করে কাতিলা গাম ।
  12. হাত পা জ্বালাপোড়া দূর করে কাতিলা গাম ইত্যাদি।

তাহলে আশা করি প্রিয় পাঠক বিন্দু আপনারা এতক্ষণে জেনে গেছেন কাতিলা গামের উপকারিতা সম্পর্কে সঠিক তথ্যগুলো। কাতিলা গামের উপকারিতা সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমি উত্তর দিব আপনাকে।

কাতিলা গাম কখন খেতে হয়

অনেকেই জানতে চান যে কাতিলা গাম কখন খেতে হয়? কাতিলা গাম সকালে এবং রাতে খাওয়া বেশ উপকারী। সকালবেলা আপনি এক চা চামচ পরিমাণ কাতিলা গাম নিয়ে এক গ্লাস পানিতে এক-দেড় ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে সেটি জেলির মতো হয়ে যাবে তখন আপনি এই ভিজিয়ে রাখা কাতিলা গাম এর সাথে মধু অথবা লাল চিনি মিশিয়ে সকালে বাসি পেটে খাবেন।

আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

এবং রাত্রিবেলা কাতিলা গাম খাওয়ার নিয়ম হলো সন্ধ্যাবেলায় আপনি এক থেকে দুই চা চামচ কাতিলা গাম নিয়ে একটি পরিষ্কার গ্লাসে ভিজিয়ে রাখবেন যখন ভিজিয়ে রাখা কাতিলা গাম গাঢ় হয়ে যাবে তখন আপনি ঘুমানোর আগে এটি খেয়ে নিবেন চিনি অথবা মধু দিয়ে। তাহলে আশা করি প্রিয় পাঠক বিন্দু কাতিল গাম কখন খেতে হয় এখন আপনি সঠিক তথ্য জেনে গেছেন।

কাতিলা গাম কখন খেতে হয়
কাতিলা গাম কখন খেতে হয়

কাতিলা গাম খাওয়ার নিয়ম

কাতিলা গাম খাওয়ার নিয়ম হল ১-২ চা চামচ কাতিলা গাম নিয়ে পরিষ্কার একটি গ্লাসে কাতিলা গাম ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা বাসি পেটে অথবা রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে খাওয়া। যদিও আপনি এখন জেনে গেছেন কাতিল গাম কখন খেতে হয়, এ বিষয়টি আর কাটে লাগাম খাওয়ার নিয়ম এই বিষয়টি একই।

অর্থাৎ আপনি উপরের লেখাটি যদি পড়ে থাকেন তাহলে উপরের নিয়মেই আপনি কাতিলা গাম খেতে পারেন প্রতিদিন বা সপ্তাহে। বিশেষ করে কাতিলা গাম খাওয়ার নিয়ম হলো খালি পেটে খাওয়া এতে করে বেশি উপকার পাওয়া যায় অথবা রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে খেলেও যৌ*ন শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং শারীরিক শক্তি বেড়ে যায়।

তবে যাদের ভিজিয়ে খেতে সমস্যা তারা চাইলে দুধ অথবা শরবতের সাথে মধু অথবা চিনি মিশিয়ে খেতে পারেন। এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা হলো যারা কাতিল আগাম ভিজিয়ে বা এইসব কোন কিছু ভাবে খেতে পারবে না তারা বাজারে কাতিলা গ্রামের পাউডার কিনতে পাবেন সেই পাউডার খেলেও আপনি একই উপকারিতা পাবেন।

আপনার আশেপাশে বিভিন্ন ডাক্তারের দোকানেও এ কাতিলা গামের পাউডার কিনতে পাবেন। আশা করি প্রিয় পাঠক বিন্দু আমার এই লেখাটি আপনার উপকারে আসবে।

কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম

এখন আমরা জেনে নেব কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে। কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার  বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সঠিক নিয়ম গুলোই এখন আমি আপনাকে বলব। কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম হল সারারাত একটি গ্লাসে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা বাসি পেটে মধু, দুধ ও চিনি মিশিয়ে খাওয়া।

এতে করে আপনার শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং যৌ*ন ক্ষমতা বেড়ে যাবে। এছাড়াও রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে দুই চা চামচ কাতিলা গাম ও তালমাখনা একটি পরিষ্কার কাচের গ্লাসে ভিজিয়ে রেখে ঘুমানোর আগে সেই ভিজিয়ে রাখা কাতিলা গাম মধুর সাথে মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। এতে করে আপনার শারীরিক সকল অবসাদ ও দুর্বলতা কেটে যাবে।

আরো পড়ুনঃ স্ট্রবেরি খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

আপনি যদি আপনার সঙ্গীর সাথে সহবাসের সময় বাড়াতে চান তাহলে অবশ্যই নিয়মিত কাতিলা গাম ও তালমাখানা খাবেন ভিজিয়ে রেখে। অথবা আপনি কাতিলা গাম এর পাউডার পাবেন বাজারে কিনতে সেই পাউডার খেলেও একই ধরনের উপকারিতা পাবেন।

তাহলে আশা করি প্রিয় পাঠক বিন্দু এখন আপনি কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক তথ্যটি জানতে পেরে গেছেন।

কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম
কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম 1

কাতিলা গাম দাম

কাতিল গাম দাম হল ১০০ গ্রাম পাউডারের দাম ১৫০ টাকা।  এছাড়াও আপনি অনলাইন থেকেও কাতিলা গাম কিনতে পারবেন এবং অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিভিন্ন রকম কাতিলা গাম দাম দেওয়া থাকে। যেমন আপনি বিভিন্ন ধরনের কাতিলা গাম প্যাকেজ পাবেন দারাজে ২৫০ গ্রাম ১০০ গ্রাম ৫০০ গ্রাম ১ কেজি ইত্যাদি।

  1. ১০০ গ্রাম কাতিলা গাম দাম হলো ১৫০ টাকা।
  2. ১০০ গ্রাম কাতিলা গাম দাম হলো ১৯৯ টাকা।
  3. ২৫০ গ্রাম কাতিলা গাম দাম হলো ৩১০ টাকা।
  4. ৫০০ গ্রাম কাতিলা গাম দাম হলো ৩৯৯ টাকা।
  5. ১ কেজি বা ১০০০ গ্রাম কাতিলা গাম দাম হলো ৫২০ টাকা।

তাহলে আশা করি প্রিয় পাঠক বিন্দু এখন আপনারা কাতিল গাম দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্যটি জানতে পেরে গেছেন।

কাতিলা গাম খাওয়ার অপকারিতা

সবকিছু খাবারের যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি পাশাপাশি রয়েছে অপকারিতা। তেমনি ভাবে কাতিলা গাম খাওয়ার অপকারিতা রয়েছে বেশ কিছু। যেমন আপনি যদি হঠাৎ করেই অতিরিক্ত কাতিলা গাম খেয়ে ফেলেন তাহলে আপনার পেটে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিবে।

আমরা জানি যে কাতিলা গাম একটি উদ্ভিদ স্বাদহীন, গন্ধহীন, পলিস্যাকারাইডের পানির দ্রবণীয় মিশ্রণ যা উদ্ভিদের শিকড় থেকে শুকিয়ে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। দেখতে তাল মিশ্রির মত মনে হলেও রয়েছে তার অসংখ্য গুন।

বিশেষ করে যারা শারীরিক সমস্যা ও যৌ*ন দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাতে পারেন না তাদের জন্য এটি খুবই কার্যকরি একটি হারবাল ভেষজ বলা যায়। তাহলে চলুন এখন কাতিলা গাম খাওয়ার অপকারিতা গুলো পয়েন্ট আকারে জেনে নেওয়া যাকঃ

  1. কাতিলা গাম আঠা জাতীয় পদার্থ, পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফুলে ওঠে। একারণে পর্যাপ্ত সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা প্রয়োজন। যদি অল্প সময় পানিতে ভিজিয়ে খেয়ে ফেলেন, তবে পেটে গিয়ে ফুলে উঠবে এবং অন্য খাদ্যকণাকে আটকে ধরবে সহজেই।
  2. কাতিলা গাম আঠা বা জেল জাতীয় পদার্থ। কাতিলা কোন ঔষধের সাথে সেবন করলে তা পেটে ও অন্ত্রে ওষুধের সাথে লেগে থাকতে পারে।
  3. কাতিলা খালি পেটে খেতে পরামর্শ দেয়া হয়, এক্ষেত্রে ভুল বশত পানিতে ভালভাবে না মিশিয়ে খেলে হজম সমস্যা থেকে শুরু করে নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে।
  4. কাতিলা গাম প্রচুর পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন, যদি পর্যাপ্ত পানি পান না করেন এটি আপনার অন্ত্রকে ব্লক করতে পারে।
  5. মুখের মাধ্যমে যে সকল ওষুধ সেবন করেন তার সাথে একই সময়ে কাতিলা সেবন করলে শরীর ওষুধ শোষণ হ্রাস করতে পারে এবং ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। যেকারণে, মুখে খাওয়ার ওষুধের অন্তত এক ঘন্টা পরে কাতিলা গাম খাবেন।

তাহলে আশা করি প্রিয় পাঠক বন্যা এতক্ষণ ধরে আপনারা মনোযোগ দিয়ে আমার এই লেখাটি পড়েছেন। আপনি যদি আমার এই সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ে থাকেন তাহলে এতক্ষণে আপনি কাতিলা গাম ও তালমাখনা খাওয়ার নিয়ম ও কাতিলা গাম দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য বলে জানতে পেরে গেছেন।

আমার এই ওয়েবসাইটের লেখা আপনার যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝেও লেখাগুলো শেয়ার করবেন এটা করে তারাও উপকৃত হবে। এবং লেখার মাঝে কোন ভুলভ্রান্তি থাকলে নিজে কমেন্ট করে জানাবেন আমি সেটি সংশোধন করে দিব। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!