জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ – দাগ ও খতিয়ান নং চেক

অনেকেই হয়তো এখনো জানেন না যে কিভাবে জমির রেকর্ড দেখতে হয়। আজকে আমিজমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আপনি যদি জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ অথবা দাগ ও খতিয়ান নং চেক সেইসাথে খতিয়ান চেক করতে চান। তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

আপনি আমার এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়লে জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন থাকবে না। আপনি নিজে নিজেই জমির রেকর্ড যাচাই করতে পারবেন এবং খতিয়ান চেক করতে পারবেন। তাহলে চলুন এখন আমরা জেনে নেই জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য।

পোস্ট সূচিপত্রঃ জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ – দাগ ও খতিয়ান নং চেক

  • ভূমিকা
  • জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ
  • অনলাইনে জমির রেকর্ড যাচাই
  • জমির রেকর্ড যাচাই app
  • অনলাইন খতিয়ান চেক জমির খতিয়ান চেক
  • অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করার নিয়ম
  • জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ শেষ কথা

ভূমিকাঃ জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ – দাগ ও খতিয়ান নং চেক

আপনি যদি নিজে নিজে জমির রেকর্ড যাচাই করতে চান তাহলে অবশ্যই আমার এই লেখাটি আপনাকে মনোযোগ দিয়ে ভালোভাবে পড়তে হবে। তাহলে আপনি নিজে নিজেই জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত একটি সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন। আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সম্পর্কে খুঁটিনাটি সকল তথ্য তুলে ধরব এছাড়াও অনলাইনে জমির রেকর্ড যাচাই করার তথ্য তুলে ধরব খতিয়ান কিভাবে চেক করতে হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেবো।

তাহলে বুঝতেই পারছেন আমার আজকের এই আর্টিকেলটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। তাই একটু সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে আর্টিকেলটি পড়ে ইনশাল্লাহ আপনার উপকার হবে। জমির দলিল হস্তান্তর, রক্ষণাবেক্ষণ ও দলিল নিবন্ধন করে রাখা হচ্ছে বাংলাদেশ ভূমি রেকর্ডের কাজ। আমরা জানি যে ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয় তৈরি করা হয়। তাহলে চলুন এখন আমরা জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ নিয়ে একে একে সকল তথ্য জেনে নিই।

জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ

অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সম্পর্কে। আমাদের বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ এবং এখানে অধিকাংশ মানুষই হচ্ছে কৃষি কাজ করে থাকে তাই তাদের কৃষক বলা হয় এবং তার চেয়ে বেশি মানুষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকে। যারা কৃষক তাদের অবশ্যই জমির দলিল থাকা অবশ্যক। যাইহোক জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ নিয়ে অনেকেই অনেক প্রশ্ন করে থাকেন।

আরো পড়ুনঃ দলিল কত প্রকার হয়ে থাকে কোন দলিলের কাজ কি জানুন

কেননা তারা জমির রেকর্ড যাচাই করতে হয় কিভাবে সেটি জানেন না। জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ অনলাইন এর মাধ্যমে যাচাই করতে হলে অবশ্যই আপনার একটি ভালো মানের স্মার্টফোন থাকতে হবে। কিংবা আশেপাশের যে কোন কম্পিউটারের দোকান থেকেও এটি যাচাই করে দেখতে পারেন।তাহলে চলুন এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত তথ্য এখন জেনে নেই নিচে।

অনলাইনে জমির রেকর্ড যাচাই

অনলাইনে জমির রেকর্ড যাচাই করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ই-পর্চা ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তার জন্য অবশ্যই আপনার একটি স্মার্ট ফোন থাকতে হবে অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইন জমি রেকর্ড যাচাই করা যাবে। আপনি যদি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে না যেতে পারেন কিংবা এর লিংক কোথায় পাবেন সেটা না জেনে থাকেন তাহলে কোন সমস্যা নেই।

এখানে আমি ই-পর্চা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিচ্ছি নিচে। এখানে ক্লিক করে সরাসরি একেবারে আপনি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে চলে যাবেন। নিচে থাকা নীল রংয়ের বাটনটিতে চাপ দিন তাহলে এই পচা ওয়েবসাইটে সরাসরি ঢুকে যাবেন। এই লিংকে যাওয়ার পরে এবার ভালোভাবে লক্ষ্য করুন নিচের এরকমই অংশ আসবেঃ

জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ – দাগ ও খতিয়ান নং চেক
অনলাইনে-জমির-রেকর্ড-যাচাই
এখন উপরে ভালোভাবে লক্ষ্য করুন ছবিটির দিকে। এখানে সর্বপ্রথমে বিভাগ দিতে হবে, পরে জেলা এবং তারপরে উপজেলা, তারপরে খতিয়ানের ধরন এস এ অথবা আরএস আপনি যে ধরনের খতিয়ান চাচ্ছেন। এরপরে মৌজার নাম অথবা নাম্বর দিলেই হবে। এবং সর্বশেষ আপনার খতিয়ান নাম্বর অথবা মালিকের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে। তাহলেই আপনি আপনার জমির রেকর্ড পেয়ে যাবেন যদি অনলাইনে থেকে থাকে। রেকর্ডটি দেখার পরে আপনি চাইলে এটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

তার জন্য অবশ্যই আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি থাকতে হবে এবং একটি ফোন নাম্বার লাগবে ওটিপি ভেরিফিকেশনের জন্য। ওটিপি ভেরিফিকেশনের পর বিকাশ অথবা নগদ থেকে ১০২ টাকা চার্জ কেটে নেওয়া হবে। তাহলে আপনি খতিয়ানের পিডিএফ কপি পেয়ে যাবেন যা আপনি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

জমির রেকর্ড যাচাই app

অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকেন জমির রেকর্ড যাচাই app এর মাধ্যমে কিভাবে আমি আমার জমির রেকর্ড যাচাই করতে পারি। তাদের জন্য বলে রাখি জমির রেকর্ড যাচাই করা অ্যাপস কিংবা যে কোন ব্রাউজারে একই নিয়ম। আপনি যদি সঠিক ওয়েবসাইটের লিংক জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই সেখানে গেলে আমার উপরে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঠিক ওই রকম ভাবে তথ্যপূরণ করে দিলেই আপনার জমির রেকর্ড যাচাই হয়ে যাবে। ।

যদি অনলাইনে দেওয়া থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার জমি রেকর্ড দেখতে পাবেন। বর্তমানে বাংলাদেশে এখনো অনেকের কম্পিউটার নাই তবে সকলের হাতে হাতে একটি করে হলে স্মার্টফোন আছে তাই বেশিরভাগ লোক প্রশ্ন করে থাকেন বা সার্চ করে থাকেন যে জমির রেকর্ড যাচাই app কোনটি। আমি সঠিক জমির রেকর্ড যাচাই app টি কিভাবে পেতে পারি। তাদের চিন্তার কোন কারণ নেই সমস্যার সমাধান নিয়ে আমি হাজির হয়ে গেছি।

আপনি চাইলে খুব সহজে আমার এই নিচে থাকা নীল দলের বাড়ীতে ক্লিক করলে জমির রেকর্ড যাচাই app ডাউনলোড অপশনে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনি জমির রেকর্ড যাচাই app। ডাউনলোড করে নিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা গুলো পূরণ করলে আপনি আপনার জমি রেকর্ড যাচাই করতে পারবেন।

অনলাইন খতিয়ান চেক জমির খতিয়ান চেক

অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন অনলাইন খতিয়ান চেক বা জমির খতিয়ান চেক করতে হয় কিভাবে। আসলে অনলাইন খতিয়ান চেক বা জমির খতিয়ান চেক করা আর জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ একই বিষয়। কেননা আমরা জানি যে প্রত্যেকের জমির জন্য একটি করে খতিয়ান থাকা অবশ্যক এবং খতিয়ানের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জমির তথ্যগুলো সঠিকভাবে উত্থাপিত হয়। তাই অনলাইন খতিয়ান চেক বা জমির খতিয়ান চেক যদি করতে পারেন তাহলে আপনি আপনার দমির রেকর্ড যাচাই করতে পারবেন। আর এ সম্পর্কে আমি উপরে বিস্তারিত বলে দিয়েছি।

আরো পড়ুনঃ ইউনিয়ন গর্ভবতী কার্ড খুব সহজে করবেন যেভাবে জেনে নিন

এবং খুব সুন্দর ভাবে দেখিয়ে দিয়েছি আপনি চাইলে উপরের লেখাটি দেখে নিয়ে খুব সহজেই অনলাইনে অনলাইন খতিয়ান চেক বা জমির খতিয়ান চেক করে নিতে পারেন। অনলাইন খতিয়ান চেক বা জমির খতিয়ান চেক করা তেমন কোন কঠিন কাজ নয় একেবারেই সহজ শুধুমাত্র সঠিক ওয়েবসাইটটি জেনে আপনাকে কাজ করতে হবে। বর্তমানে জমির খতিয়ান ডাউনলোড করে প্রিন্ট করলে ১০২ টাকা চার্জ দিতে হয় ভূমি মন্ত্রণালয়কে। ১০২ টাকা চার্জ পরিশোধ করলে আপনি অনলাইন খতিয়ান পেয়ে যাবেন প্রিন্ট কপি হিসেবে।

অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করার নিয়ম

অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন যে অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করার নিয়ম কি। আসলে আমি এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জমি রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে চেয়েছি।তাহলে চলুন এখন আমরা অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করার নিয়ম জেনে নেই। আপনি যদি অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করতে চান তাহলে অবশ্যই উপরে নিয়ম গুলো ফলো করতে হবে। উপরে আমি বিস্তারিতভাবে দেখিয়ে দিয়েছি এবং বুঝিয়ে দিয়েছি যে কিভাবে আপনি খুব সহজেই আপনার জমির রেকর্ড যাচাই করতে পারেন।

সর্বপ্রথমে আপনাকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-পর্চা ওয়েবসাইট এ চলে যেতে হবে। তবে জমির রেকর্ড যাচাই করে প্রিন্ট করে ডাউনলোড করে নেওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার ভোটার আইডি কার্ড থাকতে হবে এবং সেই সাথে একটি মোবাইল নাম্বার থাকতে হবে কেননা আপনি যদি অনলাইনে জমির রেকর্ড বের করার পর তা প্রিন্ট করে নিতে চান তাহলে ১০২ টাকা চার্জ দিয়ে সেটি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ শেষ কথা

জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমাদের দেশের মানুষদের সবচেয়ে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়। অনেকেই সঠিক জায়গায় গিয়েও সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন না তাই তখন বিভিন্ন জনের দ্বারস্থ হতে থাকেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ সিস্টেম চালু করে এর সুবিধা হয়ে গেছে অনেক বেশি। এবং ঝামেলাও অনেকাংশ কমে গেছে। আপনি যদি জমি রেকর্ড যা যায় বাংলাদেশ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে থাকেন তাহলে আপনাকে আর বেশি বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।

আপনি যদি আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে সম্পন্ন করে থাকেন তাহলে আশা করি আপনার জমির রেকর্ড যাচাই বাংলাদেশ নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে না। আপনি চাইলে এখন থেকে খুব সহজেই নিজে নিজেই জমির রেকর্ড যাচাই করতে পারেন জমির খতিয়ান চেক করতে পারেন। এ ধরনের আরও ইনফরমেটিভ তথ্য পেতে অবশ্যই ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!