মাথা ভারী লাগার কারণ সমস্যায় পড়ছেন নাকি, প্রতিকার জানুন

আপনারা অনেকে মাথা ভারী লাগার কারণ জানেন না। তাহলে চলুন আজ আমি জানিয়ে দেয় কিছু কারণগুলো। মাথা ভারী লাগার বিভিন্ন কারণ হতে পারে। প্রথমত আপনি যদি কোন কিছু নিয়ে বেশি চিন্তা করেন ঐ বিষয়টা যদি আপনার মাথায় সবসময় ঘুরে বা থাকে। তাহলে মাথা ভারী থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এটা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আপনাকে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। তারপর বেশি আসতাগফিরুল্লাহ্ পড়তে হবে। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে বাহির একটু হাঁটতে বের হোন তাহলে মাইন্ডটা রিফ্রেশ হবে ইনশাআল্লাহ।

আর পরিশেষে একটা কথাই বলবো বেশি চিন্তা করবেননা কাজের উপর থাকেন ইনশাআল্লাহ সব সমাধান হয়ে যাবে। আমাদের মাথা অনেক সময় ভারী থাকে। কিন্তু কাজকে গুরুত্ব দিয়ে শরীরের মাথা ভারীর বিষয়টি একেবারেই পাত্তা দিচ্ছি না। এতে বিপদ ঘটতে পারে। সময় থাকতে এ বিষয়গুলো ভাবা দরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাথা সবসময় ভারী হয়ে থাকলে এটি ব্রেন স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ। তাই দেরি না করে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে। ব্রেন স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে আপনাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাথা ব্যথা কেন হয়

মাথা ব্যথা হলো, মাথার কোন এক পাশে কম্পন দিয়ে তীব্র থেকে তীব্রতর ব্যথা অনুভূত হওয়া। মাথাব্যথা মূলত সর্দি, জ্বর থেকে শুরু করে ব্র্যান্ড টিউমারের কারণে হতে পারে।, চোখ, কান, গলার সমস্যা থেকেও মাথা ব্যাথার উৎপত্তি শুরু হতে পারে। মাথাব্যথার মত রোগে, পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি ভোগে। মাথাব্যথা মূলত মাথার বাম পাশ থেকে শুরু হয়।

মাথা ব্যথা হয়ে থাকে। মানসিক চাপ, দুই চিন্তা, উদ্বিগ্নতা, হঠাৎ পাওয়া আঘাত, অতিরিক্ত টেনশন, হার্টের সমস্যা ইত্যাদি সহ আরো ভিন্ন ধরনের মাথাব্যথা হতে পারে। এছাড়াও মাথাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনার মধ্যে রয়েছে যেমন: রাতে কম ঘুমানো, বেশি রাত জাগা, খাবারে অনিয়মিতা, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে মাথাব্যথার মত রোগ দেখা দেয়।

হঠাৎ দুর্বলতা

হঠাৎ করে মুখ, হাত এবং পায়ের মতো শরীরের একটি অংশে দুর্বলতা, অসাড়তা বা পক্ষাঘাতের মতো সমস্যা দেখা দেয় তবে এর মানে হল ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। অবিলম্বে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি কমে আসা

ব্রেন স্ট্রোকের আগে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে। চোখের সামনে সব অন্ধকার হয়ে আসবে। আপনি হঠাৎ ঝাপসা দেখবেন।

টেনশন

মাথার পিছনের দিকে হয় টেনশন হেডেক। এক্ষেত্রে ঘাড়ের সামান্য উপরে ব্যথা করে। প্রথমে মাথার এই অংশটি ভারী হয়ে যায়। তারপর ব্যথা হতে শুরু করে। কাঁধ এবং গলা শক্ত হয়ে যাওয়াও এই সমস্যার অন্যতম লক্ষণ। আবার অনেকসময় এই টেনশন হেডেক কপালে শুরু হয়। সেক্ষেত্রে চোখেও এই সমস্যা শুরু হয়।

সাইনাস

সাইনাস হলো মাথার ভিতর থাকা ছোট ছোট বায়ুভর্তি কুঠুরি। এই বায়ু ভর্তি কুঠুরি মাথা হালকা রাখতে সাহায্য করে। তবে কোনও সংক্রমণের কারণে মাথার ভিতরের এই অংশে তৈরি হয় সমস্যা। সেক্ষেত্রে এই কুঠুরিতে প্রদাহ তৈরি হয়। তখন তীব্র মাথা ব্যথা হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ এম এম কিট খাওয়ার কতোদিন পর বুঝা যায় বাচ্চা নষ্ট হয়েছে

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ব্রেন স্ট্রোকের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীর সময়মতো চিকিৎসা পেলে বাঁচানো যায়। তবে ব্রেন স্ট্রোক শুরু হওয়ার পর প্রথম ৪-৫ ঘন্টার মধ্যে যদি চিকিৎসা দেয়া হয় তবে অনেকাংশে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাথা ভারী লাগার কারণ

এছাড়া প্রতিদিনই অনেকের মাথা ভারী থাকে। এর পেছনেও থাকতে পারে গুরুতর কারণ বছরে একবার দুইবার মাথা ভারী হলে তেমন কোনও সমস্যার আশঙ্কা নেই। তবে মাঝেমাঝে মাথা ভারী, নিয়মিত ভারী বা ব্যথা হলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। কারণ এর পিছনে গুরুতর কোনো কারণ থাকলেও থাকতে পারে।

১. সাইনাস:

সাইনাস হলো মাথার ভিতর থাকা ছোট ছোট বায়ুভর্তি কুঠুরি। এই বায়ু ভর্তি কুঠুরি মাথা হালকা রাখতে সাহায্য করে। তবে কোনও সংক্রমণের কারণে মাথার ভিতরের এই অংশে তৈরি হয় সমস্যা। সেক্ষেত্রে এই কুঠুরিতে প্রদাহ তৈরি হয় এবং মাথা ভারী হয়।

২. মাইগ্রেন:

মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে মাথা ভারী হতে পারে। আবার সেই ব্যথা মাথা ছাড়িয়ে চোখেও চলে আসতে পারে। তবে এই ব্যথা মানুষ ভেদে আলাদা হয়। এবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাইগ্রেনে মাথা ভারীর পিছনে কিছু ট্রিগার ফ্যাক্টর থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আলো, শব্দ, গন্ধ সহ বিভিন্ন কারণে মাথা ভারী হতে পারে।

৩. টেনশন:

মাথার পিছনের দিকে হয় টেনশন হেডেক। এক্ষেত্রে ঘাড়ের সামান্য উপরে ব্যথা করে। প্রথমে মাথার এই অংশটি ভারী হয়ে যায়। তারপর ব্যথা হতে শুরু করে। কাঁধ এবং গলা শক্ত হয়ে যাওয়াও এই সমস্যার অন্যতম লক্ষণ। আবার অনেকসময় এই টেনশন হেডেক কপালে শুরু হয়। সেক্ষেত্রে চোখেও এই সমস্যা শুরু হয়। এছাড়াও মাথা ভারী লাগার  কারণ আরো অনেক কিছুই হতে পারে।

৪. চোখের সমস্যা:

চোখের সমস্যা হলে সেই উপসর্গ কেবল চোখেই আটকে থাকে না। চোখের পাশাপাশি মাথা ভারী হতে পারে। এক্ষেত্রে মাথার সামনের দিকে, আরও নির্দিষ্ট করে বললে কপালে ব্যথা হয়। একটু রেস্ট নিলে করলে এই ব্যথা কমে যায়।

মাথা ভারী লাগার কারণ আরেকবার সংক্ষিপ্ত করে জেনে নিই

মাথা ভারী লাগার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। কিছু সাধারণ কারণ হল:

মানসিক চাপ: মানসিক চাপ মাথা ভারী হওয়ার একটি সাধারণ কারণ। মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে, যা মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।

আরো পড়ুনঃ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ইরেক্টিল ডিসফাংসন জন্য ভাল ঔষধ

অনিদ্রা: পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি হতে পারে। ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, যা মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।

পানিশূন্যতা: পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না পান করলে মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি হতে পারে। পানিশূন্যতার কারণে মস্তিষ্কে রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে, যা মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ মাথা ভারী হওয়ার একটি কারণ হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে মস্তিষ্কের শিরাগুলিতে চাপ পড়তে পারে, যা মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে পারে।

হরমোন পরিবর্তন: মহিলাদের মধ্যে মাসিকের আগে বা গর্ভধারণের সময় হরমোন পরিবর্তনের কারণে মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি হতে পারে।

ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মাথা ভারী হওয়ার অনুভূতি হতে পারে।

মাথা ভারী লাগার কারণ সমস্যায় পড়ছেন নাকি, তার প্রতিকার জানুন এখন

মাথা ভারী হলে তার থেকে মুক্তির উপায় প্যারাসিটামলের মতো ব্যথা কমানোর ওষুধ খান। ব্যথা উপশমকারী অবশ্যই পেপটিক আলসারের ওষুধের সাথে একত্রে গ্রহণ করতে হবে। ব্যথা উপশমকারীর অত্যধিক ব্যবহারের ফলে মাথাব্যথাও হতে পারে। এই অবস্থা ওষুধের অত্যধিক মাথাব্যথা হিসাবে পরিচিত। ফলস্বরূপ, একেবারে প্রয়োজন না হলে, নিয়মিত ব্যথা উপশমকারী গ্রহণ করা এড়িয়ে চলাই ভাল। বর্ধিত সময়ের জন্য নির্ধারিত ওষুধ সেবন করে এই সমস্যাটি সমাধান করা যেতে পারে।

মাথাব্যথা কমাতে আপনাকে অবশ্যই প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে। আপনার মাথা ভারী মনে হলে আপনাকে অবশ্যই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
ঠাণ্ডা ঘন ঘন মাথা ব্যথা বা মাথা ভারী করে তোলে। প্রচুর পরিমাণে জল পান করা মাথাব্যথা বা ভারী হওয়া থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলির মধ্যে একটি। এই সময়, আপনি স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ জল পান করুন। এক্ষেত্রে ফলের রস পান করতে পারেন।

ফলের রস আপনার পানির ঘাটতির একটি বড় অংশ পূরণ করবে। আমরা সবাই শুনেছি যে টক ফলের রস আমাদের সর্দি থেকে মুক্তি পেতে বা তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকুন।
শুষ্ক বাতাস আপনার মাথা ভারী অনুভব করতে পারে। কারণ শুষ্ক বাতাসে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!