ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খান সুস্থ্য থাকুন

ড্রাগন ফল একটি অতি সুস্বাদু ফল এবং এটি অনেক পুষ্টিগুণে রয়েছে ভরপুর ইংরেজিতে ড্রাগন ফলকে Pitaya বলা হয়। অনেক পুষ্টিগুনে ভরপুর এই ফলটি বর্তমানে বাংলাদেশে চাষ হয়। আপনি যদি না জেনে থাকেন যে ড্রাগন ফল কি এবং এর কাজ কি। তাহলে অবশ্যই লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আজকে আমি ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করবো।

ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা অনেক তাই গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খান সুস্থ থাকুন। ডাবল ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে তাই এটি গর্ভবতীদের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খান সুস্থ্য থাকুন

  • ভূমিকা
  • ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
  • ড্রাগন ফলের দাম
  • ড্রাগন ফলের চারার দাম
  • লাল ড্রাগন ফলের উপকারিতা
  • ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম
  • ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা
  • গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফলের উপকারিতা
  • ড্রাগন ফলের অপকারিতা
  • লেখকের শেষ কথা

ভূমিকা

ড্রাগন ফল বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে চাষ হতে শুরু করেছে। এই ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর খেতে তেমন সুস্বাদু এবং অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। লাল ড্রাগন, গোলাপি ড্রাগন, হলুদ ড্রাগন এবং সাদা রঙের ড্রাগন ফল হয়ে থাকে। ড্রাগন ফল মূলত পশ্চিমা বিশ্বের একটি ফল হিসেবে চাষ হয়ে থাকতো কিন্তু বর্তমানে এটি দেশে এখন চাষ হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড,

মালয়েশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে ড্রাগন ফলের দিন দিন চাষ বাড়তে শুরু করেছে। কেননা দারুন ফলের রয়েছে বহু গুণাগুণ। তাহলে চলুন আমরা এখন জেনে নেই ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে এবং কেন গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খাবেন।

ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

ডাগন ফলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক রয়েছে আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়া আপনার উচিত। আপনার যদি হার্টের রোগ থেকে থাকে তাহলে হার্টের রোগ নিরাময়ে ড্রাগন ফল খাওয়া খুবই উপকারী। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি লাল রঙের ডাবল ফলটি পাওয়া যায় এবং এটি কাটলে এর ভিতর কালো রঙের বিচি থাকে। ড্রাগন ফলের এই কালো রঙের বিচিতে ওমেগা থ্রি ওমেগা নাইন ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হার্টের রোগীর জন্য খুবই উপকারী।

ড্রাগন ফল নিয়মিত খেলে আপনার শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো দূর হয় এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে। একটি ড্রাগন ফলে অধিক পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ড্রাগন ফলে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা একজন মানুষকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করে। এমনকি ক্যান্সারের মতো ভয়ংকর রোগের মুক্তি পেতে হলে আপনি নিয়মিত ড্রাগন ফল খেতে পারেন। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ড্রাগন ফলের ভূমিকা অপরিসীম।

ড্রাগন ফলের রয়েছে ফলিক এসিড যা বাচ্চাদের জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে সাহায্য করে। একজন মানব শরীরের যেকোনো ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ড্রাগন ফল খুবই উপকারী। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ড্রাগন ফল অত্যন্ত কার্যকরী একটি খাদ্য উপাদান। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবারে চলুন ড্রাগন ফলের আরো উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন এবং সর্বশেষে আমরা জানবো ড্রাগন ফলের অপকারিতা গুলো কি কি।

ড্রাগন ফলের দাম

আমরা জানি যে কয়েকটি প্রজাতির ড্রাগন ফল হয়ে থাকে। ড্রাগন ফলের প্রজাতি ভেদে ভিন্ন ভিন্ন এর দাম হয়ে থাকে। ড্রাগন ফলের দাম এক এক জায়গায় এক এক রকম হয়ে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশে মূলত লাল রঙের ড্রাগন ফল পাওয়া যায় এবং এই লাল রঙের ড্রাগন ফলগুলো এসেছে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে। আর বর্তমানে বাংলাদেশে এই লাল রঙের ড্রাগন ফলটি খুব পরিচিত একটি ড্রাগন ফল।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি কেজি ড্রাগন ফলের দাম ৪০০ টাকা। থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বিশেষ করে ঢাকাতে ড্রাগন ফলের মূল্য হয়ে থাকে ৪৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ড্রাগন ফলের বিভিন্ন রকম দাম হয়ে থাকে, যেমন কোন কোন জেলায়, এক কেজি ড্রাগন ফলের দাম ৩০০ টাকা কেজি, কোথাও আবার এক কেজি ড্রাগন ফলের দাম ৪০০ টাকা কেজি,

আরো পড়ুনঃ মেথি খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

কোথাও আবার এক কেজি ড্রাগন ফলের প্রাইস ৫০০ টাকা কেজি, কোথাও আবার এক কেজি ড্রাগন ফলের প্রাইস ৬০০ টাকা কেজি, কোথাও আবার এক কেজি ড্রাগন ফলের প্রাইস  ৭০০ টাকা কেজি, এছাড়াও করোনা এবং লকডাউনের সময় এক কেজি ড্রাগন ফলের প্রাইস নেমে এসছিলো মাত্র ১০০টাকা কেজি থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে। আশা করি এবারের ড্রাগন ফলের নাম আপনি জেনে গেছেন।

ড্রাগন ফলের চারার দাম

ড্রাগন ফল দেখতে সুন্দর হয় এবং খেতে সুস্বাদু হয় বনে অনেকেই ড্রাগন ফলের গাছ নিজের বাড়িতে লাগাতে চান। কিন্তু ভালো মানের চারা খুঁজে পান না কিংবা ভালো মানের চারার দাম কত হয় সেটি জানেন না। ড্রাগন ফলের চারার দাম কত হয়ে থাকে সেটি এবারে আপনাদেরকে জানাবো। আপনি হয়তো জানেন যে ড্রাগন ফল বিশেষ করে এখনো বেশি ভাগ পাহাড়ি অঞ্চলে পাওয়া যায়, যেমন চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।

এই সকল অঞ্চলে ব্যাপক পরিমাণে এই ড্রাগন সুস্বাদু ফলের চাষ হয়ে থাকে। এ সকল পাহাড়ি অঞ্চল থেকে আপনি খুব কম দামে ড্রাগন ফলে যারা খেতে পারেন। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের সকল জেলাতেই এখন ড্রাগন ফলের চারা পাওয়া যাচ্ছে। সকল জেলাতেই ড্রাগন ফলের চারার দাম খুবই কম এবং নাগালের মধ্যে রয়েছে। একদম ছোট ড্রাগন ফলের চারার দাম মাত্র ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা ১৫০ দেড়শ টাকা এমনকি ৩০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

আপনি যদি কোথাও ড্রাগন ফলের চারা খুঁজে না পান। তাহলে অনলাইনে দারাজ থেকে খুব সহজে ড্রাগন ফলের বীজ কিনে নিতে পারেন এবং সেই বীজ থেকে ড্রাগন ফলের চারা তৈরি করতে পারেন। ড্রাগন ফলের বীজের দাম আরো কম। আপনি ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পাঁচ থেকে দশটি ড্রাগন ফলের ব্রীজ পেয়ে যাবেন।

লাল ড্রাগন ফলের উপকারিতা

আপনি হয়তো জানেন যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে লাল দাগন ফল পাওয়া যায়। লাল ড্রাগন ফল বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পরিচিত একটি ফল। এছাড়াও হলুদ রঙের ড্রাগন ফল হয়ে থাকে সাধারণ জ্ঞান হয়ে থাকে এমনকি গোলাপের লালনপাল হয়ে থাকে যেগুলো সচরাচর দেখা যায় না আমাদের দেশে। আমাদের দেশে লাল ড্রাগন ফল বেশি পাওয়া যায় তাই এখন আমি লাল ড্রাগন ফলের উপকারিতা কি কি সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরব।

লাল ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন যা একজন মানুষের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং ছানি পড়া রোগের মত রোগ থেকে মুক্তি লাভ করায়। এছাড়াও লাল ড্রাগন ফলে রয়েছে অনেক পরিমাণে শর্করা যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী তাই আপনি আপনার নিয়মিত ডায়েটে লাল ড্রাগন ফল খেতে পারে। একজন মানুষের দেহে আইরনের ঘাটতি মেটাই লাল ড্রাগন ফল।

একজন মানুষকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক রাতে নিয়মিত লালনাগন খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। লাল ডাগন ফল নিয়মিত খেলে একজন মানুষ স্বাভাবিক এবং সুস্থ থাকবেন। এছাড়া আর অসংখ্য গুনে ভরপুর ড্রাগন ফল। আর লাল ড্রাগন ফল খেতে খুবই মিষ্টি হয়ে থাকে।

ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম

সব খাবার খাওয়ার যেমন নিয়ম রয়েছে তেমনি ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম রয়েছে কিছু। অবশ্যই একটি পাকা ড্রাগন ফল খেতে হবে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টিগুণ রয়েছে। ড্রাগন ফল মাঝ বরাবর কেটে খেতে হয়। ড্রাগন ফল মাছ বরাবর কাটার পর অর্ধেক অংশ গুলো কিসমিস করে কেটে নিয়ে যে কোন বাটিতে রেখে খেতে হবে। আপনি চাইলে ডাবল ফল টক দই দিয়ে কিংবা বাদাম দিয়ে নিয়মিত খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি ড্রাগন ফল বিলিন্ডার মেশিনের সাহায্যে জুস করে নিয়ে খেতে পারেন।এভাবেই ডাবল ফল খাওয়ার নিয়ম।

ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা

অনেকেই হয়তো ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা জানেন না। যার জন্য ড্রাগন ফলের ভিতরের অংশ নিয়ে খোসা গুলো ফেলে দেন। এই লিখাটি পড়ার পর ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা সম্পর্কে আপনি জেনে যাবেন। তারপর থেকে আপনি আর কোথাও ফেলবেন না। কেননা ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতার পাশাপাশি ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা রয়েছে অনেক।

ছোট্ট একটি মগে পানি নিয়ে যে কোন বাটিতে ডিম দিয়ে সেই বাটির পানিগুলো হালকাভাবে গরম করে নিন এবং হালকা গরমযুক্ত পানিতে ড্রাগন ফলের অংশগুলো ছেড়ে দিন। এবং পরিমিত তাপে জাল দিতে থাকুন তাহলে ডাবল ফলের খোসার রস গুলো পানির সঙ্গে মিশে লাল রঙের হয়ে যাবে। তারপরে সেই পানিগুলো ছেঁকে নিয়ে আপনি খেতে পারেন খেতে অনেক উপকার হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ তুলসী পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা রূপচর্চায় তুলসী পাতার ব্যবহার জানুন

আপনি চাইলে ড্রাগন ফলের খোসার রসের সেই পানিতে স্বাদ বাড়ানোর জন্য আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়ে দিতে পারেন এবং তার সাথে কিছু লেবুর রস নিয়ে নিতে পারেন। এইভাবে আপনি প্রতিদিন নিয়মিত ড্রাগন ফলের খোসার রস গরম পানিতে ফুটিয়ে খেলে আপনার অতিরিক্ত মেদ বাড়বে না এবং ওজন বাড়বে না। এছাড়াও আপনার যদি ডায়াবেটিস থেকে থাকে তাহলে এভাবে ড্রাগন ফলের রস খেলে আপনার ডাইবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আশা করি ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা এবার বুঝতে পেরেছেন।

গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফলের উপকারিতা

গর্ভবতী মায়েদের জন্য গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফলের উপকারিতা রয়েছে অসংখ্য। কেননা নিয়মিত গর্ভবতী মায়ের ড্রাগন ফল নিয়মিত খেলে তাদের গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়াও গর্ভবতী মায়েদের হার্টের রোগের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার হলো ড্রাগন ফল। গর্ভবতী মায়েদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও ড্রাগন ফল খুবই উপকারী। গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মায়েদের খাবার হজম এর ক্ষেত্রে এবং পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ড্রাগন ফল।

আপনি হয়তো জানেন যে ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং ফলিক উপাদান যা একজন গর্ভবতী মায়ের নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আশা করি বিষয়টি এবার বুঝতে পেরেছেন গর্ব অবস্থায় কি কি হয়ে থাকে।

ড্রাগন ফলের অপকারিতা

উপরোক্ত লেখাটি থেকে আমরা এখন ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনে গেছি। গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খান সুস্থ থাকুন এ কথাটি বিস্তারিত বর্ণনাও করা হয়ে গেছে। ড্রাগন ফলের অনেক অনেক উপকারী তার কথা সঠিকভাবে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। ড্রাগন ফলের উপকারিতার পাশাপাশি এবারে আমরা ড্রাগন ফলের অপকারিতা নিয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরবো যা জানা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

প্রথমত আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে ড্রাগন ফল খান তাহলে আপনার ডাইরিয়া হওয়ার মত সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে আপনার রক্তের পরিমাণ কমে গিয়ে নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। আর আপনার যদি নিম্ন রক্তচাপ হয় তাহলে মাথা ঘোরাবে, ডিপ্রেশন হবে, বমি বমি ভাব হবে এছাড়াও আরো নানারকম সমস্যা দেখা দিবে।

আরো পড়ুনঃ পেটের গ্যাস কমানোর উপায় সঠিকভাবে জেনে নিন

এছাড়াও অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো না হয়ে আরও বেড়ে যেতে পারে যা আপনার জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই অবশ্যই জানেন ফল খাওয়া পরিত্যাগ করতে হবে। নিয়ম মেনে নিয়মিত পরিমান মত খেতে হবে ড্রাগন ফল। কেননা ড্রাগন ফলের অপকারিতা গুলো খুবই খারাপ।

লেখকের শেষ কথা

বর্তমানে ড্রাগন ফল একজন মানুষের দেহে অনেক পুষ্টিগুণ উপাদান দিয়ে থাকে। যা শরীরের শক্তি যোগায় এবং একজন মানুষকে সুস্থ রাখে। ড্রাগন ফল নিয়মিত খাওয়ার ফলে আপনি অনেক ধরনের উপকার পেতে পারেন। তবে ড্রাগন ফল অতিরিক্ত খেলে এর কিছু অপকারিতা রয়েছে যা আপনার জন্য অনেক ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ড্রাগন ফল নিয়মিত খেলে পরিমাণমতো খেতে হবে।

অতিরিক্ত বেশি খাওয়া যাবে না ড্রাগন ফল। আপনি যদি আমার এই লেখাটি সম্পন্ন মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে অনেক কিছুই জেনে গেছেন সঠিকভাবে। এছাড়াও আপনি গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফল খান সুস্থ্য থাকুন এ বিষয়টিও বুঝতে পেরেছেন।

আমার এই লেখাটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমার এই লেখাটি আপনার বন্ধুদের মাঝেও শেয়ার করবেন। এবং লেখার মধ্যে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ প্রিয় পাঠক বিন্দু।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!