ভয়ঙ্কর কিছু ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার জানুন ডেঙ্গু থেকে মুক্তি পান

Rate this post

ডেঙ্গু রোগের প্রধান লক্ষণ হলো প্রচন্ড জ্বর, সারা শরীরে বিশেষ করে হাড়ে ও গিরায় গিরায় ব্যথা হওয়া। আপনি যদি না জেনে থাকেন যে, ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ কি কি হয়? এবং এর প্রতিকারগুলোই বা কি কি? তাহলে অবশ্যই আপনি আমার এই লিখাটি মনযোগ দিয়ে পড়ুন।

এই লিখাটির মাধ্যমে আমি ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার এর তথ্যগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরবো। ডেঙ্গু রোগ কীভাবে, কোথা থেকে হয়, কেন হয় সবকিছুে একে একে সঠিকভাবে বর্ণ।না করবো। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার গুলো।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার তথ্যগুলো জানুন ডেঙ্গু থেকে মুক্তি পান

  • ভূমিকা
  • ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
  • শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
  • ডেঙ্গু জ্বর কত দিন থাকে
  • ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর কত সময় পর জ্বর হয়
  • ডেঙ্গু টেস্ট কি কি
  • ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে
  • ডেঙ্গু জ্বর কি ছোঁয়াচে রোগ
  • ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়
  • ডেঙ্গু রোগের ওষুধ
  • ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করণীয়
  • উপসংহার

ভূমিকা

ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত ভয়ংকর রোগ। যা এডিস মশার কামড়ে হয়ে থাকে। বিশেষ করে এডিসের স্ত্রী মশার কামড়ের কারণে ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। এডিস মশার কামড়ের ফলে তিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দিতে থাকে। ডেঙ্গু জ্বর হলে আপনার কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে মাথা ব্যাথা করবে এবং পেশীসহ গায়ের বিভিন্ন গিরা গিরায় ব্যথা করবে।

ডেঙ্গু জ্বর দিন দিন আমাদের দেশে বেড়ে চলেছে। ডেঙ্গু রোগের লক্ষণগুলো হলো সচারচর আপনার বমি বমি ভাব হবে মুখে আরতি হবে এমনকি ডায়রিয়া হতে পারে রাতের মারি না অথবা মলদ্বার দিয়ে রক্ত পড়তে পারে এছাড়া গলা ব্যথা ঢোক গিলতে কষ্ট হয় এসব কিছুই ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ। তাহলে চলুন এবার আমরা ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সহ বিস্তারিত তথ্য গুলো একে একে জেনে নিই।

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার অনেক রয়েছে তার মধ্যে বিশেষ বিশেষ কিছু লক্ষণ ও প্রতিকার এখন বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। প্রথমত ডেঙ্গু জ্বর হলে বা এডিস মশায় আপনাকে কামড় দিলে আপনার বমি বমি ভাব হবে। কিছুই খেতে ইচ্ছা করবে না মুখে অরুচি একটি ভাব থাকবে। তিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে এমনকি ডায়রিয়া হবে।

দাঁতের মাড়ি ফুলে যাবে এবং দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়বে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল রঙের দাগ দেখা দিবে। প্রচন্ড রকম ভাবে মাথা ব্যথা করবে শরীর ব্যথা করবে ও বেশি পরিমাণে জ্বর আসবে। উপরোক্ত এই সকল লক্ষণ গুলো দেখা দিলেই বুঝতে হবে যে আপনার ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ এগুলি। এ সকল লক্ষণ লেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে তাহলে আপনি ডেঙ্গু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

ডেঙ্গু রোগ যেহেতু একটি এডিস মশার কামড়ে ফলে হয়ে থাকে তাই এই এ ডিস মশা কামড়ের ৩ থেকে ১৪ কি ১৫ দিনের মধ্যেই আপনার শরীরের জ্বর অনুভব হবে এবং শরীর ব্যথা হবে। তাহলে বুঝে নিতে হবে আপনার ডেঙ্গু রোগ হয়ে গেছে। আর এর জন্য অবশ্যই ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

শিশুদের ডেঙ্গু রোগ হওয়া ভয়ংকর একটি ব্যাপার। শিশুদের যদি ডেঙ্গু রোগ হয় তাহলে বাবা-মায়ের চোখে ঘুম থাকে না। দ্রুত এর সঠিক ব্যবস্থা না নিলে একটি শিশু খুব সহজে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আমরা জানি যে ডেঙ্গু জ্বর বা ডেঙ্গু রোগ একটি এডিস মশার কামড়ের ফলে হয়ে থাকে। আর এই এরিস মশা নোংরা পানিতে জন্ম নিয়ে থাকে। তাই যে বাড়িতে ছোট্ট শিশু রয়েছে সেই বাড়ির আশেপাশে কোন ধরনের নোংরা পানি রাখা যাবে না কোন ধরনের নোংরা আবর্জনা রাখা যাবে না।

যদি রাখেন তাহলে আপনার শিশুর ডেঙ্গু রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। তাহলে চলুন এবারে শিশুদের ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। বড়দের মতো শিশুদের ক্ষেত্রে একই লক্ষণ দেখা দিবে ১৫ দিনের মধ্যে শরীরে বেশি পরিমাণে জ্বর আসবে যা দুই থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়ে থাকে, ডায়রিয়া হতে পারে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল রঙের ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। মাথা ব্যাথা দিবে এবং শরীর ব্যথা করবে। এছাড়াও গুরুতর ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

ফলে রক্তচাপ শিশুকে দুর্বল করে দিতে পারে এবং রক্তের চাপ একদম নিম্ন মাত্রায় নেমে যেতে পারে যা খুবই বিপদজনক। উপরোক্ত এই সকল লক্ষণ গুলো দেখা দিলে আপনি দ্রুত আপনার শিশুকে নিয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে চলে যান। আপনার শিশু যদি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে যায় তাহলে বেশি পরিমাণে তরল খাবার খাওয়ান এবং বাড়িতে বিশ্রাম নিতে দিন।

আরো পড়ুনঃ মেথি খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

তবে সবচেয়ে ভালো হবে নিকটস্থ ভালো কোন হসপিটালে ভর্তি করিয়ে দাও সেখানে ওষুধ ও স্যালাইন এর মাধ্যমে একজন একটি শিশু খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠতে পারে ডেঙ্গু রোগ থেকে। এছাড়াও শিশুর ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধের জন্য অবশ্যই ঠিকা দেওয়া প্রয়োজন।

ডেঙ্গু জ্বর কত দিন থাকে

আমরা জানি যে ডেঙ্গু জ্বরের কামড়ে হয়ে থাকে তাই হয়ে থাকে এডিস মশা কামড়ানোর তিন থেকে ১৪ দিনের মধ্যে। এবং জ্বরের স্থায়িত থাকে মূলত ৩ থেকে ৭ দিন। তবে এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু রোগ কারো যদি অতিরিক্ত পরিমাণে হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে জ্বরের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বেশিদিন ধরে থাকতে পারে। তাই অবশ্যই আমাদের ডেঙ্গু জ্বর থেকে অথবা এডিস মশার কামড় থেকে বাঁচতে হলে পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া খুবই দরকার।

ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর কত সময় পর জ্বর হয়

একটি এডিস মশান বা ডেঙ্গু মশার ভেতরে অনেক ক্ষতিকর জীবাণু থাকে যা একজন মানুষের জন্য অনেক ক্ষতি করে। আর এই জীবন শুধুমাত্র থাকে একটি স্ত্রী এ বিষ মশার কাছে আর সেই এরিশ মশা যদি কোন মানুষকে কামড় দেয় তাহলে সেই মানুষের ৩ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই শরীরে জ্বর দেখা দিবে, গা ব্যথা করবে, অরুচি ভাব হবে ইত্যাদি।

ডেঙ্গু টেস্ট কি কি

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন ডেঙ্গু টেস্ট কি কি করানো হয়। আসলে জ্বর নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। তবে সবচেয়ে দ্রুত ডেঙ্গু জ্বর বুঝা যায় NS1 পরীক্ষার মাধ্যমে। এছাড়া ডেঙ্গু টেস্ট হিসেবে রক্ত পরীক্ষা করা হয়, র‍্যাপিট টেস্ট করানো হয়।

আরে র‍্যাপিট টেস্টের মাধ্যমেই স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কিনা একজন ব্যক্তির শরীরে। আশা করি বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। এবার চলুন আমরা ডেঙ্গু রোগের আরও লক্ষণ ও প্রতিকার গুলো জেনে নিন।

ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খেতে হবে

ডেঙ্গু জ্বর একটি ছোঁয়া রোগ নয় তবে আপনাকে কিছু নিয়মকানুন মেনে ডেঙ্গু জ্বর হলে খাবার খেতে হবে। বিশেষ করে দই দুধ এবং দুধ দিয়ে তৈরি জাতীয় বিভিন্ন ধরনের খাবার আপনি খেতে পারেন। বাদাম খেতে পারেন এতে প্রচুর চর্বি রয়েছে ডিম খেতে পারেন ক্যালসিয়াম রয়েছে ডাল খেতে পারেন ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আমির এছাড়াও মাংস ও মাছ খেতে পারেন।

তবে ডেঙ্গু জ্বর হলে সবচেয়ে ভালো খাবার হচ্ছে কাঁচা পেঁপে অথবা পেপে পাতার রস। সবুজ ধরনের শাকসবজি খেতে হবে। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। তবে মসলা জাতীয় খাবার ও তেল জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা এছাড়া সব ড্রিংকিং করা যাবে না উচ্চমাত্রায় ফ্যাটযুক্ত খাবারও এ সময় কখনোই খাওয়া যাবে না এটি এড়িয়ে চলতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বর কি ছোঁয়াচে রোগ

অনেকেই বলে থাকেন ডেঙ্গু জ্বর কিছু আছে রোগ তাদের জন্য আজকের এখনকার এই লেখাটি। অবশ্যই ডেঙ্গু জ্বর ছোয়াচে রোগ নয় কেননা এটি এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে সংক্রমিত হয় না। তবে এটি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে ভালো রোগীদের শরীরে ছড়াতে পারে খুব সহজেই ডেঙ্গু জ্বর। তাই অবশ্যই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে আমাদের।

আরো পড়ুনঃ পেটের গ্যাস কমানোর উপায় জেনে নিন

কেননা ডেঙ্গু রোগ একটি ভাইরাস বাহির এডিস মশার কামড়ে হয়ে থাকে তাই এটি ভাইরাসজনিত একটি রোগ। তাই দেখবো আক্রান্ত ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য সব সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও বাড়ির আশেপাশে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে কোনরকম নোংরা আবর্জনা রাখা যাবে না। আশা করি বুঝতে পেরে গেছেন যে ডেঙ্গু জ্বর কি ছোঁয়াচে রোগ কি না।

ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়

হলে করণীয় রয়েছে অনেক কিছু তার মধ্যে বিশেষ কিছু তুলে ধরবো এখন। আপনার যদি এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালোমতো বিশ্রাম নিতে হবে এবং বেশি বেশি করে তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। অতিমাত্রার জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল খেতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। এছাড়াও প্রয়োজন বোধে স্যালাইন তুলতে হবে শরীরে।

ডেঙ্গু জ্বর যদি অতিরিক্ত হারে বেড়ে যায় কিংবা মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় তাহলে অবশ্যই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে রক্ত দিতে হবে। এছাড়াও আপনি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গেলে কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না। ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চলতে হবে।

ডেঙ্গু রোগের ওষুধ

ডেঙ্গু রোগ হল একটি এডিস মশার কামড়ের ফলে ভাইরাসজনিত জ্বর। আর আমরা জানি যে জ্বর কমাতে প্যারাসিটামলের বিকল্প নাই। তাই ডেঙ্গু রোগের ওষুধ হিসেবে প্যারাসিটামলি বেশি উপকারী একটি ঔষধ। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়মিত প্যারাসিটামল ৭-৮ ঘন্টা পর পর খাওয়ালে জ্বর কিছুটা কমে যাবে। ডেঙ্গু রোগের ঔষধ ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে ডেঙ্গু রোগ বা ডেঙ্গু জ্বর সারানো খুব সহজ ব্যাপার।

ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণে স্যালাইন যুক্ত পানি খাওয়ান তাহলে ডেঙ্গু রোগ দ্রুত উপশম হবে। এছাড়াও ভাতের মাড়, দুধ, দুধ দিয়ে তৈরি জাতীয় খাবার, ফলের শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদি খাবার খাওয়াতে হবে। ডেঙ্গু রোগীর জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো তাকে ভালোভাবে বিশ্রাম নিতে দিতে হবে এবং তরল যুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে। বিষয়টি বুঝতে পেরে গেছেন।

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করণীয়

ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত তথ্য উপরোক্ত আলোচনা থেকে জেনে গেলাম। এখন আমরা জানবো ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করণীয় কি কি রয়েছে। আসলে ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে করণীয় অসংখ্য রয়েছে। যেহেতু ডেঙ্গু জ্বর বা ডেঙ্গু রোগ একটি মশার কামড়ে হয়ে থাকে তাই আমাদের আশেপাশের পরিবেশ এমনভাবে করে রাখা রাখবে যাতে মশা জন্মান্তের না পারে। আমরা জানি যে মশা নোংরা পানিতে জন্মায় এবং ময়লা আবর্জনাতে মশার জন্ম হয়ে থাকে।

অবশ্যই আমাদের বসবাসের জায়গার চারিপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়কালে মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। এছাড়াও মশা তাড়ানোর বিভিন্ন ধরনের স্প্রে বা ঔষধ পাওয়া যায় সেগুলো নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে যাতে করে শোবার ঘরে কোন ধরনের মশা না আসতে পারে বা থাকতে পারে। ঘরের জানালায় চিকন ধরনের নেট লাগাতে পারেন যাতে করে রুমের ভিতরে মশা প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়াও ঘরে ছোট শিশু থাকলে তাকে অবশ্যই টিকা দিয়ে নিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকারসহ জেনে নিন

আপনার বাড়িতে যদি এসে থাকে তাহলে সেটি ব্যবহার করুন এতে করে মশা ঘরে থাকতে পারবেনা। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় উপায় হল অতি জনবসতিপূর্ণ এলাকা পরিত্যাগ করুন। খোলামেলা পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করুন। উপরোক্ত সকল বিষয় যদি আপনি ভালোভাবে মেনে চলতে পারেন তাহলেই আপনি ডেঙ্গু জ্বরের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

উপসংহার

ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এবং এটি একটি স্ত্রী এডিস মশা কামড়ের ফলে যৌথ হয়ে থাকে। আর আমরা জানি যে মশা সাধারণত নোংরা পানিতে এবং ময়লা আবর্জনাতে জন্মায়। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলের চেয়ে শহর অঞ্চলের উপদ্রব বেশি। তাই গ্রাম অঞ্চলের চেয়ে শহর অঞ্চলের মানুষদেরই বেশি ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। আমরা এ লেখাটির মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার বিস্তারিত সঠিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

আপনি যদি আমাদের লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি এই লেখাটি যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছেন। আর যদি বুঝতে না পারেন তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন সেই বিষয়ে আমি আপনাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেব।

আর আমার এই লেখাটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে এবং উপকারে লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই এই লেখাটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ প্রিয় পাঠক বিন্দু ভালো থাকবেন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!