দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম কোনটি

দাউদ বা দাদ রোগটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এই রোগটি চর্মরোগের মতো। এই রোগটি মূলত ছত্রাক বা ফাংগাল ইনফেকশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এ রোগটি হলে প্রচন্ড পরিমাণে চুলকায়। যদি সময় মত দাউদ বা দাদ এর চিকিৎসা করা না হয় তাহলে অনেক জটিল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তাই এই রোগটি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের সকলেরই দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম  সম্পর্কে জানা উচিত।

আপনারা যদি দাউদ রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কারণ এই পোস্টটিতে আমরা দাউদ কেন হয় ও এর ঘরোয়া চিকিৎসা কি? দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম কী কোনটি ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি।

দাদ বা দাউদ কি – দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

দাদ বা দাউদ একটি ছত্রাক জনিত রোগ যা সাধারণত রিংওয়ার্ম, ডার্মাটোফাইট নামক ছত্রাক সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এ রোগটি হলে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে চুলকায়। এই রোগটি সাধারণত আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় যেমন- বগলে, কুচকিতে, নাভিতে, মাথায় ইত্যাদি জায়গা গুলোতে হয়ে থাকে। এই রোগটি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে আমাদের শরীরের ভাজযুক্ত জায়গা গুলোতে।

এ রোগটি সাধারণত ছোট গোলাকৃতি লালচে দানাযুক্ত হয়। এই রোগটিকে ডাক্তারি ভাষায় টিনিয়া বলা হয়ে থাকে। যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিতে পারে। এই রোগটি সাধারণত যাদের শরীরে আগে থেকেই এলার্জি থাকে, মোটা কাপড় পরিধান করে, সব সময় নোংরা থাকে তাদের শরীরে বেশি হয়। দাঁত বা দাউদ রোগের অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে যেগুলো আপনারা নিচের প্যারা থেকে জানতে পারবেন। তাই দাউদ এর লক্ষণ জানতে পড়তে থাকুন।

দাউদ কেন হয় বা দাউদ হওয়ার কারণ

দাউদ একটি ছত্রাকজনিত ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগটি হওয়ার অনেকগুলো কারণ রয়েছে যেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো। দাউদ সাধারণত ছত্রাক নামক ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। সাধারণত যেসব জায়গায় ভালোভাবে আলো বাতাস পৌঁছাতে পারে না এবং ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে জায়গাগুলোতে ছত্রাক নামক ভাইরাসটি জন্ম নেয়।

  1. অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা থাকলে, আটসাট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে এবং অপরিষ্কার জামা কাপড় পরলে এই রোগটি হতে পারে।
  2. শরীরে এলার্জি থাকলে এবং মোটা জামা কাপড় পরিধান করলে, নোংরা থাকলে এই রোগটি হতে পারে।
  3. এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জামাকাপড়, গামছা, তোয়ালে ইত্যাদি জিনিস ব্যবহার করলে এই রোগটি হতে পারে।
  4. পায়ের মোজা ও মাথার চিরুনি দ্বারা এই রোগ সংক্রমিত হতে পারে।
  5. যাদের শরীর দীর্ঘ সময় ধরে ভেজা থাকে, অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে এবং শরীরে ক্ষতস্থান আছে এমন শরীরে এই রোগটি সহজেই হতে পারে।
  6. যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং শরীর প্রচুর পরিমাণে ঘামে তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
  7. একই কাপড় দীর্ঘদিন না ধুয়ে ব্যবহার করলে বা অপরিষ্কার কাপড়-চোপড় পরিধান করলে এই রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  8. দূষিত মাটি ও দূষিত বস্তু থেকে এ রোগটি হতে পারে।

দাউদ এর লক্ষণ – দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

দাদ, দাউদ, রিংওয়ার্ম টিনিয়া বা ফাংগাল ইনফেকশন আমাদের ত্বকের একটি ছোঁয়াচে রোগ কিন্তু এটি সম্পূর্ণ নিরাময় যোগ্য চর্মরোগ। এই রোগটি আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় যেমন- কুচকি, মাথা, নখ, পায়ের আঙ্গুল, পায়ের পাতা বা হাতের পাতা, মাথা, বগলের নিচে ইত্যাদি জায়গাগুলোতে বেশি হয়। এই রোগটি হওয়ার অনেকগুলো লক্ষণ বা কারণ রয়েছে যেগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

  1. দাউদ হলে প্রথমে আক্রান্ত স্থানটি সাধারণত ছোট গোলাকৃতি লালচে দানাযুক্ত হয়।
  2. এরপর এটি ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে বাদামি বর্ণের আইরিশের মত বড় হতে থাকে।
  3. দাউদ দেখতে অনেকটা গাড়ির চাকার মত হয় এবং এটির কিনারাগুলো উঁচু হয়।
  4. যতই দিন যাবে ততই বৃত্তাকারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং দাউদের ভেতরের দিকে ভালো হতে থাকবে।
  5. দাউদ হলে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে চুলকায়।
  6. দাউদের বাইরের অংশ অনেক সময় ফুসকুড়ির মত হয় আবার অনেক সময় জলপূর্ণ বা পুঁজযুক্ত হয়।
  7. অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে চামড়া উঠে যায় এবং দাদ থেকে কাঁচা রস বের হয়।
  8. অনেক সময় দাদ মাথায় হয় যার ফলে আক্রান্ত স্থানে চুল পড়ে যায়।
  9. আবার নখে যদি হয় তাহলে নক ভেঙ্গে যাবে।
  10. দাউদে আক্রান্ত ক্ষতস্থান থেকে খুশকির মত চামড়া উঠতে থাকবে।

উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো যখন আপনি আপনার মাঝে দেখতে পাবেন তখন ভেবে নেবেন আপনার দাউদ বা দাদ হয়েছে। তখন দ্রুত চিকিৎসা করুন নয়তো জটিল সমস্যা আক্রান্ত হতে পারে।

দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম

এই চিকিৎসায় অনেক মলম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। শুধু মলম ব্যবহার করে দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল ঔষধ সেবন করা উচিত যেটি সম্পর্কে আমরা আলাদা আর্টিকেল লিখেছি।

ডারমিন মলম

ব্যবহারের নিয়ম: এই মলম আক্রান্ত স্থানে দিনে দুই থেকে তিনবার লাগাতে হবে। এই ক্রিম লাগানোর পূর্বে অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তবে চুলকানো যাবে না। কিছুদিন ব্যবহার করলে দাউদ থেকে চিরমুক্তি পেয়ে যাবেন।

আরো পড়ুনঃ কিডনি বিক্রি হাসপাতাল বাংলাদেশ – বাংলাদেশে কিডনির দাম কত

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: এই মলম ব্যবহার করলে কিছু মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে কিন্তু এগুলো খুব কম মানুষের মধ্যে দেখা যায়। নিম্নে উল্লেখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে:

  • নিশ্বাসে অসুবিধে
  • লালচে ভাব
  • মুখের ফোলা
  • আক্রান্ত স্থানে মৃদু ঠান্ডা বা জ্বলন্ত সংবেদন
  • তীব্র এলার্জি
  • দাম: এই মলমের দাম ২০ টাকার আশেপাশে।
  • লুলিজল ক্রিম

ব্যবহার করার নিয়ম: আক্রান্ত স্থানে এই ক্রিম দিনে এক থেকে দুইবার লাগাতে হবে। অতিরিক্ত পরিমাণ ব্যবহার করলে চুলকাতে পারে। প্রাপ্ত বয়স্করা ব্যবহার করতে পারেন তবে শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। দাউদের ক্রিম এর নাম জানার পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সমূহ জেনে নিবেন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: এই মলম ব্যবহার করলে নিম্নে উল্লেখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে:

  • জ্বালাপোড়া
  • চুলকানি
  • লালভাব

দাম: এই মলম এর দাম ১৮০ টাকার আশেপাশে। তবে দশ গ্রামের দাম ১০০ টাকা মাত্র। এটি বাজারে ১০ ও ২০ গ্রাম আকারে পাওয়া যায়।

দাউদ বা দাদের চিকিৎসায় মলমের ব্যবহার খুবই জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। যদিও এই রোগে আক্রান্ত অনেক ব্যক্তি আছে যারা বাজার থেকে বিভিন্ন ধরনের দাউদের মলম কিনে ব্যবহার করেন। কিন্তু আপনি যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এমনিএকটা মলম ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু হিতেবিপরীত হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক দাউদের মলম ব্যবহার করা উচিত।

পাগলা মলম – pagla molom

পাগলা মলম pagla molom কি এবং এই মলম দাউদের জন্য কীভাবে কাজ করে থাকে চলুন সবকিছু এবার জেনে নিন বিস্তারিত। পাগলা মলম pagla molom দাদউদের জন্য খুবই ভালো একটি মলম। এর দাম কম হাতের নাগালে যেখানে সেখানে পাওয়া যায় ফলে এর চাহিদা অনেক বেশি। এই পাগলা মলমের দাম মাত্র ২০ টাকা। গ্রামে-গঞ্জে, হাটে-বাজারে, রাস্তা-ঘাটে প্রায় সব জায়গায় আপনি এই পাগলা মলম – pagla molom পেয়ে যাবেন দাম একবারে সহজলোভ্য। আপনার যদি দীর্ঘ দিনের পুরণো দাউদ থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই একবার পাগলা মলম – pagla molom ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

লুলিজল ক্রিম

প্রিয় পাঠক এখন ্রামি আপনাদের লুলিজল (Lulizol) ক্রিম এর কাজ কি – লুলিজল (Lulizol) ক্রিম এর ব্যবহার -লুলিজল (Lulizol) ক্রিম দাম  সকল কিছু এই পোস্টে আলোচনা করবো। আপনি যদি লুলিজল ক্রিম এর কাজ কি – লুলিজল ক্রিম এর ব্যবহার – লুলিজল ক্রিম দাম জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে এসে থাকেন তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। তাহলে চলুন দেখে নেই লুলিজল ক্রিম এর কাজ কি –  লুলিজল (Lulizol)ক্রিম এর ব্যবহার – লুলিজল (Lulizol) ক্রিম দাম।

লুলিজল (Lulizol) ক্রিম এর কাজ কি

ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের রোগসমূহে।শরীরের কোন অংশে ছএাক আক্রান্ত হলে লুলিজল ক্রিম ব্যবহার্য

লুলিজল ক্রিম ব্যবহার এর নিয়ম

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, বিভিন্ন কারনে ওষুধের মাত্রার তারতম্য হতে পারে। ডাক্তার যেভাবে পরামর্শ দিয়েছেন ঠিক সেভাবে ওষুধ গ্রহন করুন । আপনার প্রেসক্রিপশনের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

লুলিজল ক্রিম ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যেমনঃ ত্বকে জ্বালা পোড়া , চুলকানি , লাল ভাব ও ত্বক শুষ্ক হতে পারে ত্বকের রঙে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে ।

লুলিজল ক্রিম দাম কত

প্যাক সাইজ : 10g, 20g

প্রতি পিসের দাম :100টাকা, 180টাকা

আরো পড়ুনঃ হস্ত মৈথুনের কত দিন পর করা উচিত

আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা জানতে চায় দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম কোনটি? যদিও বর্তমান বাজারে দাউদের অনেক ধরনের মলম বা ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো মলম কোনগুলো এ সম্পর্কে অনেকেই জানে না। তাই নিচে দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম গুলোর নাম দেওয়া হলো।

  1. এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম যেমন- Clotrimazole, Miconazole, Terbinafine, Ketoconazole ইত্যাদি
  2. ফাঙ্গিডাল ক্রিম (Fungidal cream)
  3. ক্লোট্রিমেজোল ক্রিম
  4. অক্সিফান লোশন
  5. Tenafin
  6. Lucazol cream ( লুকাজল ) ১০ gm
  7. Mycofin cream ( মাইকোফিন ) ১০ gm
  8. Lulitop Lulinox cream ( লুলিটপ লুলিনক্স ) ১০ gm
  9. ইবারকোনাজল ক্রিম (eberconazole cream)
  10. লিউলিজল ক্রিম (Lulizol Cream)
  11. হুইল্ড ফিল ডারোমিন

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দাউদের জন্য মলম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মলম ব্যবহার করবেন।

দাউদ এক ধরনের ছত্রাক জনিত অস্বস্তিকর চর্মরোগ। যে রোগ থেকে কে না মুক্তি পেতে চাই? তাইতো এই পোস্টটিতে আমরা দাউদ থেকে মুক্তির জন্য দাউদের ট্যাবলেট এর নাম ও দাউদের এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম, দাম ও ব্যবহার করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। যাতে করে আপনারা দাউদের ট্যাবলেট এর নাম ও দাউদের এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম ও দাম সম্পর্কে জানতে পারেন।
এছাড়াও এই পোস্টটিতে আপনারা দাউদের ট্যাবলেট এর নাম ও দাউদের অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধের নামের পাশাপাশি দাউদের মলমের নাম, দাউদের ক্রিম এর নাম ও দাম, ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন। যদি আপনারা পোস্টটি মনোযোগ সহকারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন।

দাউদের ট্যাবলেট এর নাম – দাউদের এন্টিবায়োটিক

দাউদ খুবই অস্বস্তিকর চুলকানি জাতীয় একটি সমস্যা। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল যার দাউদ হয়নি। দাউদ সাধারণত ছত্রাক জনিত ভাইরাসের কারণে হয়। এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। গরমের সময় সাধারণত এই রোগটি আমাদের মাঝে বেশি দেখা যায়। এটি আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হতে পারে যেমন- মাথা, বগল, কুঁচকি, নখ, পা ইত্যাদি। দাউদ সাধারণত দেখতে গোলাকৃতির লাল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানাযুক্ত হয়।

এই রোগটি প্রথম অবস্থায় সীমিত আকারে দেখা দিলেও যদি এর সঠিক সময় চিকিৎসা করা না হয় তাহলে জটিল সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আপনারা যদি দাউদের সমস্যায় আক্রান্ত হন তাহলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করুন। তবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অবশ্যই চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে পরামর্শ নেবেন।

তাহলে চলুন এখন আমরা দাউদের ট্যাবলেট এর নাম গুলো জানি। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা দাউদের বিভিন্ন ট্যাবলেট এর নাম জানতে চাই। তাই এই পোস্টটিতে আমরা দাউদের কিছু ট্যাবলেট এর নাম উল্লেখ করেছি। দাউদের ট্যাবলেট গুলোর নাম হলো-

  1. Lucan-R
  2. Flugal
  3. Canazole
  4. Grisovin Fp 500 MG Tablet
  5. Phexin 500 MG Capsule
  6. Terbin 250 MG Tablet
  7. Derma 50 MG Teblet
  8. Vori 200 MG Teblet
  9. Itra 100 MG Capsule
  10. Fluconazole
  11. ইন্ট্রাকন
  12. রাইনিল ইত্যাদি।

উপরে দাউদের ক্যাপসুল এর কিছু নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আপনারা যারা দাউদের সমস্যায় রয়েছেন তারা এই ক্যাপসুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

দাদ হলে কি কি খাওয়া নিষেধ জানুন

দাউদ, দাদ বা চুলকানি যাই বলুন এই রোগটি খুবই অস্বস্তিকর একটি রোগ। এই রোগটি অনেক সময় অনেক চিকিৎসার করেও অনেকের শরীর থেকে পুরোপুরিভাবে সেরে যায় না। যার কারণ তারা চিকিৎসা তো করেই কিন্তু দাদ হলে যে খাবারগুলো খাওয়া নিষেধ সে খাবারগুলো খায় যার ফলে তারা দাদ থেকে সহজে মুক্তি পায় না। তাই দাদ হলে কি খাওয়া নিষেধ এ সম্পর্কে জানা উচিত। তাহলে চলুন জেনে নেই দাদ হলে কি খাওয়া নিষেধ?

  1. বেগুন
  2. মাংস
  3. শুটকি মাছ
  4. কচু
  5. ফুলকপি
  6. ভাজাপোড়া খাবার
  7. চিনিযুক্ত যেকোনো খাবার
  8. ফাস্ট ফুড

আপনারা যারা দাদ বা দাউদ থেকে চিকিৎসার পরে মুক্তি পাচ্ছেন না তারা উপরে উল্লেখিত খাবার গুলো বর্জন করুন। আর দাউদ পুরোপুরি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এই খাবারগুলো থেকে দূরে থাকুন এবং ভালো চিকিৎসা নিন।

দাউদের সবচেয়ে ভালো সাবান ও দাম জেনে নিন

দাউদ থেকে মুক্তির জন্য আপনি দাউদের মলম ব্যবহারের পাশাপাশি কিছু সাবান ব্যবহার করেও এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তাই নিচে আপনাদের সুবিধার্থে দাউদের সবচেয়ে ভালো সাবান ও দাম দেওয়া হলো।

সাবানের নাম সাবানের দাম
লুলিকোনাজল (Luliconazole)  50 gm 208.00 টাকা
ASSURE 50gm 100.00 টাকা
লুলিকোনাজল (Luliconazole) 75 gm 617.50 টাকা
ASSURE 75gm 200.00 টাকা
কিটোকোনাজল (Ketoconazole) 50gm 450.00 টাকা
কিটোকোনাজল (Ketoconazole) 75gm 484.00 টাকা

 

দাউদ রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

যদিও দাউদ রোগ থেকে মুক্তির জন্য অনেক ধরনের মলম ও ওষুধ রয়েছে। তারপরও আপনারা চাইলে এই রোগটি ঘরোয়াভাবে দূর করতে পারেন। দাউদ রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা করার অনেকগুলো উপায় রয়েছে তবে আপনাকে অবশ্যই ঘরোয়া চিকিৎসার উপকরণ গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। দাউদ রোগের ঘরোয়া চিকিৎসার জন্য যে সকল উপকরণের প্রয়োজন তা নিম্নে দেওয়া হলো।

রসুন

ছত্রাকের কারণে সৃষ্ট সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করতে পারে রসুন। এটি উপকারী দাদ দূর করার ক্ষেত্রেও। ব্যবহারের জন্য ১-২ কোয়া রসুন ভালো করে থেঁতলে নিতে হবে। এরপর তার সঙ্গে তিন টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও তিন টেবিল চামচ মধু ব্যবহার করুন। এরপর আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রেখে দিন ঘণ্টাখানেক। এরপর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

আরো পড়ুনঃ দুই মাস মাসিক না হওয়ার কারণ প্রতিকার

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরার উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কম-বেশি জানা। এটি আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। অ্যালোভেরায় আছে রেজিন নামক উপকারী উপাদান। এই উপাদান ছত্রাকের সংক্রমণ ঠেকাতে ভীষণ কার্যকরী। তাই দাদের সমস্যা দূর করতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা। এটি দাদের কারণে সৃষ্ট চুলকানি, যন্ত্রণা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ব্যবহারের জন্য অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করে নিন। এরপর ব্যবহার করুন আক্রান্ত স্থানে।

মধু

দাদ দূর করার একটি ঘরোয়া উপায় হতে পারে মধুর ব্যবহার। এই সমস্যা দূর করতে কার্যকরী উপাদান হলো মধু। এতে আছে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও ছত্রাক-নাশক উপাদান যা ছত্রাকের বৃদ্ধি ঠেকাতে কাজ করে। পরিষ্কার তুলোয় মধু লাগিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত এভাবে ব্যবহার করলে দাদের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি মিলবে।

তুলসী পাতা

তুলসী পাতায় রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও আন্টিফাঙ্গাল উপাদান। যা আমাদের শরীরের দাউদ বা দাদের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও তুলসী পাতা আমাদের শরীরে চুলকানি ও র‌্যাশ দূর করে। তাই দাউদের সমস্যায় তুলসী পাতার ভূমিকা অপরিসীম।

কাঁচা হলুদের রস

আপনারা দাউদের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে কাঁচা হলুদের রস বেছে নিতে পারেন। কারণ হলুদের রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও আন্টিফাঙ্গাল নামক উপাদান। যা দাউদের সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে।

সাবান-পানি

লবণ পানিতে রয়েছে “অ্যাস্ট্রিনজেন্ট” নামক উপাদান যা ক্ষতস্থান দ্রুত সারিয়ে তুলতে কাজ করে। দাউদ থেকে মুক্তির জন্য প্রতিদিন আক্রান্ত স্থানে লবণ পানি আর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ জানুন কোন ধরনের টেস্ট ছাড়ায়

তারপর হালকা ভাবে আক্রান্ত স্থানটি মুছে ফেলতে হবে।

নারকেল তেল

নারকেলের তেলে রয়েছে মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল নামক উপাদান দাউদ রোগের সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে। এটার ব্যবহার করতে প্রথমে একটি পাত্রে নারকেলের তেল হালকা গরম করে নিন। তারপর এই হালকা গরম কিন্তু তেল আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিন।

পেঁপে

পেঁপের ভিতরে উপস্থিত অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রপার্টিজ যা দাউদ রোগ সারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এটি ব্যবহার করার নিয়ম হলো- প্রথমের ছোট এক টুকরা পেঁপে নিতে হবে তারপর সেটি দাউদের উপর লাগাতে হবে এবং ১৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে ইত্যাদি।

দাউদের সবচেয়ে ভালো মলম কোনটি নিয়ে লেখকের শেষ কথা

আপনারা ইতিমধ্যে দাউদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। যদিও দাউদ একটি খুবই সাধারণ রোগ তবে অসতর্কতার কারণে এটি জটিল সমস্যায় পরিণত হতে পারে। তাই দাউদ হলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বিভিন্ন মলম ও ওষুধ ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া আপনারা ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাউদ রোগ দূর করতে পারেন। আর এই পোস্টটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হন তাহলে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করে আমার পাশে থাকুন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!