৮টি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা জেন নিন

আম খাওয়ার মত আমের খোসায় রয়েছে অনেক উপকারী গুণাগুন। আজকে আমের খোসা ফেলে না দিয়ে খেয়েনিলে যে ১২টি রোগ সেরে যাবেে এবং আমের খোসার উপকারিতা জানবো। মিনারেল ও ভিটামিনে ভরপুর আমের খোসা। আর সে জন্য আমের খোসা ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এছাড়াও ব্রণ দূর করতেও আমের খোসা খুবই উপকারী।

অসংখ্যা উপকারিতায় আমের খোসা খুবই ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অবশ্যই আমের খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান। এখন আমি আমের খোসার গুরুত্বপূর্ণ  ৮টি উপকারিতা তুলে ধরবো। তাহলে চলুন আমের খোসার উপকারিতা কি কি জেনে নেই।

পোষ্ট সূচিপত্রঃ  ৮টি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা জেন নিন

  • ভূমিকা
  • আমের খোসা কি মানুষ খায়
  • আমের খোসা খাওয়া কি ভালো
  • আমের খোসার ৮টি উপকারিতা
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমের খোসা
  • ওজন কমাতে আমের খোসা
  • ত্বক ও চুলের যত্নে আমের খোসা
  • ক্ষত নিরাময়ের জন্য আমের খোসা
  • ক্যানসার প্রতিরোধে আমের খোসা
  • ব্রণ দূর করতে আমের খোসা
  • হার্টের রোগে আমের খোসা
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
  • শেষ কথা

ভূমিকাঃ ৮টি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা

৮টি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা জেন নিন। আমরা জানি যে আমের অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে। কেননা আম আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি আমের খোসার রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা এবং গুণাগুণ। এখন আমরা আমের খোসার আটটি উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিব। কোন আটটি রোগ সারাতে আমের খোসা খুবই উপকারী তা জানতে হলে অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটি আপনাকে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। এতে করে আপনার যদি এই ধরনের কোন রোগ হয়ে থাকে তাহলে এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি তা জেনে নিতে পারবেন।

আমরা জানি যে আমের খোসা পাকা আমেরও হয় কাঁচা আমেরও হয়। কোন নামের খোসা বেশি উপকারী সেটি কেউ জানিনা। তাই আপনাদেরকে জানানোর জন্যই আজকে আমার এই আর্টিকেলটি লেখা। আপনি যদি আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে আমের খোসার যত উপকারিতা রয়েছে সবগুলো জেনে যাবেন। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ যে ৮ টি রোগে আমের খোসা ব্যবহার করবেন তা বলে দিব।

আমের খোসা কি মানুষ খায়

অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন যে আমের খোসার কি মানুষ খায়। আমের খোসা কেন খায়? আমের খোসা খেলে কি হয়? তাদের প্রশ্নের উত্তরে বলব হ্যাঁ অবশ্যই আমের খোঁচা মানুষ খায়। কেননা আমের খোসা খেলে শতশত রোগ সেরে যায়। তার মধ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ আটটি রোগ নিয়ে আমরা এই আটিকেল টিতে আলোচনা করব। আমের খোসা যে আটটি রোগ ভালো হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আপনার মনে এখনো যদি সন্দেহ থেকে থাকে আমের খোসা কি মানুষ খায়।তাহলে অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটি যদি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

তাহলে আপনি জেনে যাবেন আমের ঘোষার নানারকম উপকারী দিক। এই আর্টিকেলটি পড়ার পর থেকে আপনিও এখন আর আম খেয়ে আমের খোসা ফেলে দেবেন না কখনো। কেননা আমের খোসায় রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি6 এছাড়া মিনারেল ও পটাশিয়াম এর মত পদার্থ গুলো রয়েছে আমের খোসাই। আর এ সকল পুষ্টি উপাদান গুলো আমাদের সুস্থ রাখতে এবং শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

আমের খোসা খাওয়া কি ভালো

অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন আমের খোসা খাওয়া কি ভালো? অনেক লোকই গুগলে সার্চ দিয়ে থাকেন আমের খোসা খাওয়া কি ভালো। তাদের জন্য এখন আমি বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব যে আসলে আমের খোসা খাওয়া কি ভালো নাকি খারাপ আমের খোসার উপকারিতা কি। তাদের উত্তরে আমি বলতে চাই হ্যাঁ অবশ্যই আমের খোসা খাওয়া ভালো এবং শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কেননা আমের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রেশভেরাট্রল, নরাথাইরল নামের খুবই শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট।

যা আমাদের ভয়ঙ্কর ভয়ংকর রোগের প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে। যেমন ক্যান্সারের মতো রোগ ফুসফুস সমস্যা স্তনের সমস্যা মস্তিষ্কের সমস্যা এছাড়াও আরো অনেক জটিল সমস্যায় আমের খোসা খুবই কার্যকরী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আমের খোসা খাওয়া ভালো তবে অনেকেই এটি জানেন না। আবার অনেকেই জানেন না যে আমের খোসা কিভাবে খেতে হয়। বিভিন্ন রকম উপায়ে আমের খোসা খাওয়ার যেতে পারে। তবে আমের খোসা খাওয়ার সবচেয়ে ভালো নিয়ম বা পদ্ধতি হলো; সরাসরি ফরমালিনমুক্ত আম থেকে আমের খোসাটি ছিলিয়ে নিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে।

আরো পড়ুনঃ আম উপকারিতা এবং আমের যত পুষ্টিগুণ জেনে নিন

এছাড়াও আপনি চাইলে আমের খোসা রোদে শুকিয়ে নিয়ে খেতে পারেন। কাঁচা আমের আচার বানানোর সময় আমের খোসা ফেলে না দিয়ে খোসা সহ আচার বানিয়ে নিতে পারে। আশা করি আমের খোসা খাওয়া কি ভালো না খারাপ জেনে গেছেন। এবারে চলুন আমরা আটটি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা জেনে নেব।

আমের খোসার ৮টি উপকারিতা

আমরা ইতিমধ্যে বলে দিয়েছি যে. আমের মতো আমের খোসার রয়েছে বহু গুণাগুণ। এবং আমের খোসা দিয়েও ছাড়ানো যায় শত শত রোগ বালাই। শত শত রোগের নাম তুলে ধরতে গেলে আমার এই আর্টিকেল অনেক বড় হয়ে যায়। তাই সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ আটটি রোগ সারাতে আমের খোসার উপকারিতা গুলো এখন তুলে ধরব। আপনি যদি এখন পর্যন্ত আমের খোসার উপকারিতা না জেনে থাকেন। তাহলে আমার এই লেখাটি থেকে আমের খোসার বিশেষ ৮টি উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন।

এগুলো জানার পর থেকে আপনি আর আমের খোসা গুলো ফেলে দিবেন না। নিজের বা আশেপাশের প্রিয়জনদের রোগ সারাতে কাজে লাগাতে পারবেন। প্রথমে জানিয়ে দেই কোন ৮ টি রোগের জন্য আমের খোসা উপকারী। নিচে দেওয়া হল সেই আটটি রোগের নাম এবং এই আটটি রোগ নিয়েই এখন আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব।

  1. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমের খোসা
  2. ওজন কমাতে আমের খোসা
  3. ত্বক ও চুলের যত্নে আমের খোসা
  4. ক্ষত নিরাময়ের জন্য আমের খোসা
  5. ক্যানসার প্রতিরোধে আমের খোসা
  6. ব্রণ দূর করতে আমের খোসা
  7. হার্টের রোগে আমের খোসা
  8. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমের খোসা

আমাদের বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখন ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। ডাইবেটিস রোগের জন্য অনেকের জীবন চলার পথ নানাবিধ ভাবে বাধা বস্তু। তবে আপনি যদি সামান্য কিছু সতর্কতা অবলম্বন করেন। তাহলে খুব সহজে এই ধরনের ডায়াবেটিসের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আমের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

আপনি যদি নিয়মিত আমের খোসা খান তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আমের খোসা খাওয়ার ফলে আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে যার ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। আপনার যদি ডায়াবেটিস হয়ে থাকে তাহলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমের খোসা খেতে হবে নিয়মিত আপনাকে।

ওজন কমাতে আমের খোসা

আমের খোসায় রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল যা ফ্যাট অর্থাৎ মেদ বা ভুঁড়ি কমায়। আপনার যদি দিন দিন ওজন বেড়ে যেতে থাকে তাহলে অবশ্যই নিয়মিত আমের খোসা খান। কেননা ওজন কমাতে আমের খোসা খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। আমের খোসা আপনি নিয়মিত এক সপ্তাহ খেলেই আপনার ওজন কমে যেতে থাকবে। যদিও অতিরিক্ত আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে।

আরো পড়ুনঃ রূপচর্চায় তুলসী পাতার ব্যবহার জানুন

কিন্তু আমের খোসা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই দেহের ওজন কমানোর ক্ষেত্রে টাকা আমের চেয়ে আমের খোসা খুবই বেশি উপকারী উপাদান। আপনি নিয়মিত ডায়েট করার চেয়ে ওজন কমাতে নিয়মিত আমের খোসা খান তাহলে আপনার ওজন ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকবে ইনশাল্লাহ।

ত্বক ও চুলের যত্নে আমের খোসা

আমের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন ই, মিনারেল যা একজন মানুষের ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে। তাই ত্বকের যত্নে আমের খোসার গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়াও আমির হোসেন রয়েছে পলিফেনলস আঁশ যা চুলকে শক্ত মজবুত করতে সাহায্য করে। তাই ত্বক ও চুলের যত্নে আমের খোসা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে যেমন যদি আপনার ত্বকে ব্রণ ওঠা শুরু করে তাহলে আপনি আমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এবং ত্বক ক্লিন ও মসলিম রাখতে আমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও চুলের জন্য তো খুবই কার্যকরী একটি উপাদান হলো আমের খোসা। আপনার মাথায় যদি খুশকি দেখা যায় তাহলে খুশকি দূর করতে আমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন।

চুলের গোড়া শক্ত করতে ও চুলকে মজবুত করতে আমের খোঁচা ব্যবহার করতে পারেন। আম যেহেতু সারা বছর পাওয়া যায় না তাই আমের খোসাও সারা বছর পাওয়া যাবে না। সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে আমের খোসা রোদে শুকিয়ে এর পাউডার বানিয়ে রেখে দিতে পারেন। পরবর্তীতে এই আমের খোসার পাউডার ত্বকে ব্যবহার করতে পারবেন।

ক্ষত নিরাময়ের জন্য আমের খোসা

আমাদের প্রতিনিয়ত চলার ক্ষেত্রে নানা ধরনের দুর্ঘটনা শিকার হতে হয়। কিছু কিছু দুর্ঘটনায় শরীরে ক্ষত বাধা দেখা দেয়। এবং অনেক ক্ষেত্রে এমনি এমনিতেও অনেকের শরীরে ঘা বা ক্ষত দেখা দেয়। এ ধরনের ক্ষত নিরাময়ের জন্য আমের খোসা খুবই উপকারী একটি উপাদান। তাঁরা ক্ষতস্থানে আমের খোসা বেটে দিলে জায়গাটি দ্রুত সেরে ওঠে।

হুট করে অনেকেই ক্ষত বা ঘায়ের জন্য কোন ধরনের ওষুধ খুঁজে পান না কোথাও। তারা চাইলে খুব সহজেই আমের খোসা দিয়ে ক্ষত নিরাময় করে নিতে পারেন। কেননা আমের খোসার এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষত নিরাময়ের জন্য খুব ভালো কাজ করে থাকে।

ক্যানসার প্রতিরোধে আমের খোসা

আমরা জানি যে খুবই ভয়ঙ্কর ও মরণঘাতী একটি রোগ হচ্ছে ক্যান্সার। তবে ক্যান্সার যদি প্রতিরোধ করা যায় তাহলে এর থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে আমের খোসার ব্যবহার এখন জেনে নিব। আমরা জানি যে আমের খোসায় রয়েছে অধিক পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

আরো পড়ুনঃ যৌন দুর্বলতায় নিয়মিত খেজুর খান

আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একজন মানুষের ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে চান তাহলে অবশ্যই ক্যান্সার প্রতিরোধে আমের খোসা খান। এতে করে আপনি ক্যান্সারের মতো ভয়ঙ্কর রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন খুব সহজে। তাহলে আজ থেকে ক্যান্সার প্রতিরোধে আমের খোসা খাওয়া শুরু করে দিন।

ব্রণ দূর করতে আমের খোসা

যে সকল ছেলে অথবা মেয়েদের মুখে বিভিন্ন ধরনের স্পট বা দাগ রয়েছে। তারা চাইলে খুব সহজে আমের খোসার মাধ্যমে সে দাগগুলো দূর করতে পারবেন। এছাড়াও ব্রণ দূর করতে আমের খোসা খুবই উপকারী একটি উপাদান। তাহলে চলুন বরুন দূর করতে আমের খোসার উপকারিতা গুলো জেনে নিই। বরং দূর করতে চাইলে প্রথমে সামান্য কিছু আমের খোসা নিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

আধা ঘন্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নেওয়ার পর সেই খোশাগুলো দিয়ে মুখের ত্বকে ঘুষতে হবে বা মেসেজ করতে হবে। এভাবে নিয়মিত মেসেজ করার ফলে বা ঘসাঘষি করার ফলে আপনার ব্রণ দূর হয়ে যাবে। আশা করি বরুন দূর করতে আমের খোসার ব্যবহার জানতে পেরে গেছেন।

হার্টের রোগে আমের খোসা

হার্টের রোগ মূলত উচ্চ রক্তচাপের জন্য হয়ে থাকে। যারা অতিরিক্ত টেনশন করে এবং মানসিক চাপে থাকে তাদের রক্তচাপ বেড়ে যায় যখন তখন তারা হার্টের রোগের সমস্যায় পড়ে। হার্টের রোগ একটি আতঙ্কিত রোগ। হার্টের রোগ কখন কোথায় কিভাবে হয় বলা মুশকিল। তবে আমরা যদি একটু সতর্ক হই তাহলে খুব সহজেই এই রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি। আমরা জানি যে আমের খোসায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা একজন মানুষের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই হার্টের রোগে আমের খোসা খাওয়া খুবই প্রয়োজন। নিয়মিত নিয়ম করে আমের খোসা খেলে এ ধরনের জটিল আতঙ্কিত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হৃদরোগ বা হার্টের রোগে আমের খোসা খাওয়া খুবই ইম্পোর্টেন্ট। আশা করি হার্টের রোগে আমের খোসা খাওয়ার উপকারিতা জানতে পেরেছেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমের খোসা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে আমার খোসা খাওয়া আমাদের খুবই দরকার। কেননা আমের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যাতে করে শরীরে বড় ধরনের কোন অসুখ-বিসুখ বাসা বাড়তে পারে না। আমরা জানি যে আমের খোসায় প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ মেথি খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

যা আমাদের শরীরের উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার প্রধান সূত্রই হচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। তাই এই আমের খোসা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আশা করি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেন খেতে হবে জেনে গেছেন।

শেষ কথাঃ আমের খোসার উপকারিতা

আমের খোসার উপকারিতা নিয়ে শেষ কথা হলো, আমের খোসা ফেলে না দিয়ে সঠিক ভাবে কাজে লাগান এতে করে আপনি যেমন উপকৃত হবেন তেমনি লাভবান হবেন। দামি দামি ঔষধ এর হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। আজকে আমি আপনাাদের সামনে আমের খোসা খাওয়ার মাত্র ৮টি গুণের কথা বল্লাম। এছাড়াও আরো অসংখ্যা রোগের চিকিৎসায় আমের খোসার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমার এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!