এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম জানুন

আপনি হয়তো জানেন না যে এজমা হলে কীভাবে তা ভালো করতে হয়। আদৌ কি এজমা চিরতরে ভালো হয় কি না? সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে চাইলে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে আপনি এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার সঠিক ঔষধের নাম জানতে পারবেন।

এজমা খুবই অসস্তিকর একটি রোগ। যে ব্যাক্তির এজমা রোগ আছে সে জানে এর জ্বালা কত। আজকে আমি এজমা ভালো করা নিয়ে বিস্তারিত সঠিক তথ্য তুলে ধরবো। তাহলে চলুন এখন আমরা এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম জনে নিই।

পোষ্ট সূচিপত্রঃ এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম জানুন

  • ভূমিকা
  • এজমা কত প্রকার
  • এজমার ঔষধের নাম এজমা কি ভাল হয়
  • এজমার ঔষধের নাম
  • এজমা থেকে মুক্তির উপায় হোমিওপ্যাথি
  • এজমা হলে কি কি খাওয়া নিষেধ
  • এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায়
  • এজমা নিয়ে শেষ কথা

ভূমিকা

আমাদের চারিপাশের অধিকাংশ মানুষই এজমা রোগে ভুগে থাকেন তবে এর সঠিক চিকিৎসা না জানার ফলে অনেকেই এর যন্ত্রণা সহ্য করেন নীরবে। আজকে আমি এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং অ্যাজমা ভালো করার ওষুধের নাম সহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে। তার জন্য অবশ্যই আমাদের প্রথমত জেনে নিতে হবে অ্যাজমা কি এবং কেন হয়।

এজমা মূলত শ্বাসকষ্টের মতো রোগ। অ্যাজমারক আমাদের শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি করে থাকে এবং ফুসফুস কে দুর্বল করে দেয় যার ফলে একমাত্র ব্যক্তির হাঁপানি এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। বিশেষ করে শীত এলে অ্যাজমা রোগের লক্ষণ গুলো ভালোভাবে বোঝা যায়। অ্যাজমা মূলত বিভিন্ন ধরনের খাবারের এলার্জির ফলে হয়ে থাকে। তাই আপনাকে এলার্জি জনিত রোগ বলা হয়ে থাকে। অ্যাজমা মূলত ইংরেজি শব্দ এর বাংলা অর্থ হচ্ছে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট।

আর অ্যাজমা হল ফুসফুসের শ্বাসনালীর দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ জনিত একটি রোগ।এজমা রোগের বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। তা হল শাঁ শাঁ শব্দ করা, কাশি হওয়া, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বুকে টান টান ভাব অনুভব করা, মাঝেমধ্যেই হঠাৎ করে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যাওয়া। অধিকাংশ মানুষের অ্যাজমা মূলত খাবারের এলার্জির কারণে হয়ে থাকে। এছাড়াও কারো কারো ঠান্ডা লাগলে এই এজমা রোগের উপসর্গ গুলো দেখা দেয়।

তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের তামাক জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে যেমন বিড়ি সিগারেট পান ইত্যাদি খেলেও অ্যাজমা রোগের সমস্যা দেখা দেয়। সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ধুলাবালি কিংবা যেকোনো জিনিসের ধোঁয়া যেমন, বিড়ি সিগারেট কিংবা কয়েলের ধোঁয়া। অ্যাজমাই আক্রান্ত ব্যক্তিদের নাকে এ ধরনের ধোঁয়া কিংবা ধুলা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের উপসর্গগুলো দেখা দিতে থাকে এবং যন্ত্রণা বাড়তে থাকে।

বর্তমানে এই পর্যন্ত অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় 358 মিলিয়ন মানুষ এবং অ্যাজমার রোগে মারা গিয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ১০০ জন মানুষ। তাহলে চলুন এখন আমরা এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম জেনে নিই।

এজমা কত প্রকার

এখন তাহলে আমরা জেনে নেই এজমা কত প্রকার হয়ে থাকে। অনেকে গুগলে সার্চ করেন এবং প্রশ্ন করে থাকেন যে,  এজমা কত প্রকার হয়। আসলে  এজমা মূলত ৪ প্রকার হয়ে থাকে। আর এই ৪ প্রকার এজমার ৪টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

  • হালকা এবং বিরতিহীন
  • হালকা তবে অবিরাম
  • মাঝারি বা নিয়মিত
  • জটিল/গুরুতর এবং নিয়মিত

তাহলে চলুন এখন আমরা এই চার প্রকারের এজমার বিস্তারিত একটু করে জেনে নিই। এক হলো হালকা ও বিরতি হীনঃ হালকা এবং বিরতিহীন অ্যাজমা মূলত খুব সহজেই ভালো করা যায় এবং এর কষ্ট খুব কম হয়। এই ধরনের এজমা মূলত মাঝেমধ্যে হয় আবার মাঝেমধ্যে হয় না। আপনি শুরু থেকেই এই এজমার লক্ষণ বুঝতে পারলে ঠিকমতো ওষুধ খেলে অল্প দিনেই সেরে যায় এই হালকা ও বিরতি হীন এজমা।

আরো পড়ুনঃ হস্তমৈথুনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার উপায়

দ্বিতীয়ত হলো হালকা তবে অবিরামঃ হালকা এবং অবিরাম বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে যে এই ধরনের অ্যাজমা অল্প পরিসরে হয়ে থাকে তবে প্রায়ই হতেই থাকে। ওই ধরনের আদমার প্রতিদিনেই আপনার সমস্যা দেখা দিবে তাই প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে নিয়ম করে তা না হলে সমস্যা বেড়ে যেতে থাকবে এই টাইপের। তবে এই অ্যাজমা ও নিয়মিত সঠিকভাবে ওষুধ খেলে ভালো করা সম্ভব। তৃতীয়ত হল হালকার চেয়ে একটু বেশি মাঝারি বা ক্রমাগতঃ অ্যাজমার সমস্যা যাদের একটু বেশি হয়ে যায় তারা এই পর্যায়ের মধ্যে পড়ে যায়।

মাঝারি ও ক্রমাগত ধরনের এজমা মূলত সেই সকল মানুষদের হয় যারা অতিরিক্ত পরিমাণে ধূমপান করেন কিংবা তামাক যতদ্রব্য সেবন করেন। এছাড়াও যাদের অল্পতেই একটু ঠান্ডা লেগে যায়। মাঝারি বলতে এর প্রকোপ একটু বেশি থাকে আর নিয়মিত বলতে এখানে বুঝানো হয় যে সব সময়ই হয়ে থাকে মা তাই সময়ই এই এজমা লক্ষণ দেখা দেয় এবং রোগীকে তার কষ্ট ভোগ করতে হয়। আর সর্বশেষ হলো জটিল/গুরুতর এবং নিয়মিতঃ এমনিতেও সাধারণত যাদের নিয়মিত অ্যাজমার সমস্যা দেখা দেয় তাদের সমস্যা দিন দিন জটিল ও গুরুত্ব হতে থাকে।

আমরা এ লেখাটির শুরুতেই জেনে নিয়েছি যে এখন পর্যন্ত এই এজমা রোগে ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ১০০ জন মানুষ মারা গেছেন। যারা মারা গেছেন তারা এই অ্যাজমা রোগের শেষ পর্যায়টিতে ছিলেন যা জটিল/গুরুতর এবং নিয়মিত রোগ হিসেবে বলা হয়। আশা করি আজকের পর থেকে অ্যাজমা কত প্রকার এই নিয়ে আপনার কোন ধরনের প্রশ্ন থাকবে না।

এজমার ঔষধের নাম এজমা কি ভাল হয়

অনেকে জানতে চেয়ে থাকেন এজমার ঔষধের নাম এজমা কি ভাল হয়। এখন আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব এবং সবচেয়ে ভালো কয়েকটি ওষুধের নাম তালিকা করে দিব। আমরা যেহেতু জেনে গিয়েছি যে অ্যাজমা মূলত চার প্রকার হয়ে থাকে। শুরুর প্রথম তিনটি ধাপে অ্যাজমা রোগ থাকলে ভালো করা সম্ভব হয়। তবে শেষ ধাপে চলে গেলে অধিকাংশেই এই এজমা রোগ থেকে আর মুক্তি পাওয়া যায় না।

এই ধরনের অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যেতে পারেন। তাই এজমা রোগ থেকে আমাদের সবাইকে সতর্ক হতে হবে পূর্ব থেকে নাম জেনে রাখা উচিত। তবে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন অ্যাজমা কি ভালো হয় তারাও এই লেখাটি সম্পূর্ণ পড়লে সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন। অবশ্যই অ্যাজমা ভালো হয় যদি আপনি পূর্ব থেকে এজমা রোগের লক্ষণগুলো বুঝতে পেরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। তাহলে অবশ্যই অ্যাজমা ভালো হবে আপনার। আর আপনি যদি পূর্ব থেকেই এজমা রোগের ব্যবস্থা নিতে না পারেন।

কিংবা বুঝতে না পারেন যে আপনি আসলেই কি এজমা রোগে ভুক্তভোগী না অন্য কোন রোগে।এই ধরনের পরে যদি আপনি আপনার শরীরে বাড়িয়ে তুলেন তাহলে সেটি ভালো করা সম্ভব হবে না। এখন তাহলে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে অ্যাজমা কি ভাল হয় নাকি হয় না। তাহলে একবার ঔষধের নাম এখনো আমি বলছি না কেন তাই হতো ভাবছেন। সমস্যা নাই নিচে আমি এজমা ওষুধের সেরা দশ টির নাম দাম সহ কোম্পানির নাম বিস্তারিত তুলে ধরব। আপনি একটু ধৈর্য ধরে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

এজমার ঔষধের নাম

এখন তাহলে আমরা জেনে নেব ওষুধের নাম। কি কি ঔষধ খেলে এবং কোন কোন কোম্পানির ঔষধ খেলে আদমা খুব সহজে ভালো হবে সেই সকল ওষুধ গুলোর নাম এখন আমি বলব। আমাদের মধ্যে অনেকেই এ্যাজমা রোগটি চিনতে পারেন না তাই কি ওষুধ খাবেন সেটা তো দূরের কথা। তবে যারা এজমা রোগ চিনতে পারেন তারা পূর্ব থেকেই চিরতরে এজমা ভালো করার জন্য অ্যাজমা ভালো করার ঔষধ খেয়ে থাকেন।

তাই এখন আপনারা যারা আমার এই আর্টিকেলটি পড়ছেন তাদেরও এজমার ঔষুধের নাম আগে থেকে জেনে রাখা উচিত। তাহলে চলুন এখন আপনারা এজমা ভালো করা সেরা ১০ টি ওষুধের নাম সেই সাথে সেরা ১০ টি কোম্পানির নাম এবং এজমা ভালো করার ঔষধের দাম কত টাকা তার একটি তালিকা দেখে নিন।

ক্র: নং ঔষধের নাম বিবরন কোম্পানীর নাম ঔষধের দাম
০১  Budefort Capsule 400mg ACME Laboratories Ltd. প্রতি পিস ১৪ টাকা
০২ Budefort Capsule 100mg ACME Laboratories Ltd. প্রতি পিস ০৯ টাকা
০৩ Budison F Inhaler

80 mcg+4.5 mcg

Aristopharma Ltd. প্রতি পিস ৪০০ টাকা
০৪ Budison F16 Inhaler

160mcg+4.5 mcg

Aristopharma Ltd. প্রতি পিস ৫০০ টাকা
০৫  Symbion Capsule

200 mcg+6mcg

Beximco

Pharmaceuticals Ltd.

প্রতি পিস ১১ টাকা
০৬ Symbion Capsule

400mcg+12mcg

Beximco

Pharmaceuticals Ltd.

প্রতি পিস ১৪ টাকা
০৭ Oxycort Capsule

6/200 Acucap

ACI Limited প্রতি পিস ৯.০৩ টাকা
০৮ Oxycort Capsule

6/200 Acucap

ACI Limited প্রতি পিস ১৩.৮৫ টাকা
০৯  Formocort Capsule

400 mcg+12 mcg

Healthcare Pharmaceuticals Ltd. প্রতি পিস ১৪ টাকা
১০ Formocort Inhaler

160 mcg+4.5 mcg

Healthcare Pharmaceuticals Ltd. প্রতি পিস ৫০০ টাকা

এজমা থেকে মুক্তির উপায় হোমিওপ্যাথি

এখন আমরা জেনে নিব এজমা থেকে মুক্তির উপায় হোমিওপ্যাথি। অ্যাজমা ভালো করার জন্য হোমিওপ্যাথি ওষুধ খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। কেননা এজমা রোগ খুব ধীরগতিত হয় এবং এটি প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। আর আমরা জানি যে হোমিও ওষুধও ধীরে ধীরে কাজ করে এবং এর গতির আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। যার জন্য এই একমার ক্ষেত্রে বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি একটি বেস্ট পয়েন্ট হতে পারে।

অ্যাজমা থেকে মুক্তি পেতে কিংবা চিরতরে মুক্তি পেতে হোমিওপ্যাথি বেশ কিছু ঔষধ রয়েছে যা সবাই ভালো কাজ করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল ছোট বাচ্চাদের এজমার রোগ হয় তারা এলোপতি ওষুধ খেতে পারে না তাদের জন্য এই হোমিওপ্যাথির নেট্রাম সালফিউরিকাম নামের এই ওষুধটি খুবই ভালো কাজ করে থাকে। যদি কোন ছোট বাচ্চার এই এজমা রোগ দেখা দেয় কিংবা এর লক্ষণ গুলো দেখা দেয় তাহলে আপনি সাথে সাথে সেই বাচ্চাকে নেট্রাম সালফিউরিকাম খাওয়ার নিয়মিত।

দেখবেন এতে করে এক সপ্তাহের মধ্যেই সে বাচ্চার অ্যাজমা ভালো হয়ে গেছে। এছাড়াও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য খুবই একটি ভালো ঔষধ রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে যা আপনার তীব্র থেকে তীব্রতর হাঁপানি কেউ খুব সহজেই সারিয়া তুলতে পারে। আর এই ওষুধটির নাম হল অ্যাকোনাইট। আপনি যদি একজন প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা বয়জোষ্ঠ মানুষ হয়ে থাকেন। আর আপনার যদি এই এজমা রোগ হয়ে থাকে তাহলে আপনি হোমিওপ্যাথি অ্যাকোনাইট ওষুধটি খেতে পারেন।

দেখবেন যে আপনার কঠিনতর অ্যাজমা সেরে যাবে। এছাড়াও আপনার যতই পুরাতন হাঁপানি কিংবা শ্বাসকষ্ট থাকুক না কেন সেটিও ভালো হয়ে যাবে। তাহলে এখন আপনি নিশ্চয়ই অ্যাজমা থেকে মুক্তির উপায় হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। অ্যাজমা মুক্তির ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি কত টাকা কার্যকর তা জানতে পেরেছেন ভালো মতো।

এজমা হলে কি কি খাওয়া নিষেধ

এজমা খুবই ভয়ঙ্কর এবং কষ্টকর একটি রোগ। তাই কোন ব্যক্তির যদি এই এজমা রোগ হয়ে যায় তাহলে তাকে অনেক খাবারই এড়িয়ে চলতে হয় এজমা আক্রান্ত ব্যক্তি সকল ধরনের খাবার খেতে পারে না। তার একমাত্র কারণ হচ্ছে খাবারের অ্যালার্জির কারণেই কিন্তু এই এজমা রোগ হয়ে থাকে। অ্যাজমা হলে বিশেষ করে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা গবেষণায় দেখা গেছে, ফাস্টফুড জাতীয় বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে।

অধিকাংশ শিশুদের কিংবা তরুণদের অ্যাজমা হওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে। তাই অবশ্যই আপনাকে ভাজাপোড়া খাবার এবং পাসপোর্ট খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আমি প্রথমতই বলে দিয়েছি যে এজমা মূলত এলার্জি যুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে হয়ে থাকে তাই অ্যাজমা হলে এলার্জিযুক্ত খাবার খাওয়া নিষেধ এটি একদমই খাওয়া যাবেনা বিশেষ করে মাছ ডিম কিংবা হাঁসের মাংস এগুলো খাবারে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি থাকে। তাই এ ধরনের খাবার খাওয়া এজমার ক্ষেত্রে নিষেধ।

আরো পড়ুনঃ কিডনি বিক্রি হাসপাতাল বাংলাদেশ – বাংলাদেশে কিডনির দাম কত

বেশ কিছু অ্যালকোহল জাতীয় খাবারে অ্যাজমার উপসর্গ রয়েছে তাই এজমা হলে এই ধরনের অ্যালকোহল জাতীয় খাবার খাওয়া নিষেধ। এছাড়াও চা অথবা কফি খাওয়াও যাবেনা অ্যাজমা হলে বিশেষ করে কফিতে স্যালিসিলেটস ও নাইট্রোজেন পদার্থ থাকার ফলে এটি শ্বাসকষ্ট বাড়িয়ে দেয় তাই যাদের অতিরিক্ত এলার্জি আছে তাদের একদমই কপি খাওয়া নিষেধ। তাহলে নিশ্চয়ই এখন আপনি এজমা হলে কি কি খাওয়া নিষেধ তার একটি বিস্তর ধারণা পেয়ে গেছেন।

এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায়

অধিকাংশ মানুষ আজমার ওকে আক্রান্ত হওয়ার ফলে যারা এর কষ্ট ভোগ করেন তারা এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় খুঁজে দেখেন। এখন আমি এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবো। অ্যাজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় হলো হোমিওপ্যাথি ওষুধ। আপনি যদি এজমা হওয়ার শুরু থেকেই হোমিওপ্যাথি ঔষধ খান তাহলে অল্প কিছু সময়ের মধ্যে আপনার চিরতরে ভালো হয়ে যাবে। তাই আপনি যদি একজন এজমা আক্রান্ত ব্যক্তি হয়ে থাকেন।

তাহলে আপনার লক্ষণ গুলি বোঝার সাথে সাথে যে কোন হোমিওপ্যাথি নিকটস্থ ডাক্তারের সাথে দেখা করুন। আপনি একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের সঠিক সুচিকিৎসার মাধ্যমে এজমা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে পারেন। এছাড়াও এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এর মধ্যে সেরা একটি উপায় হল আপনাকে খাবার খাওয়ার ব্যাপারে বেশ গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা খাবারের এলার্জির কারণে কিন্তু প্রথমত মানুষদের এজমা রোগটি হয়ে থাকে। এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এর প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে থাকে।

তাই অবশ্যই শুরুর দিক থেকেই এলার্জিযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার কিংবা পেটের গ্যাস তৈরি হয় এ জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। উপরোক্ত এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলে নিয়মিত আপনাকে লেবুর রস, কিংবা লেবুর শরবত, খেতে হবে এতে করে আপনার অ্যাজমা হবে না। নিয়মিত মধু খেতে হবে, সেই সাথে আদা, রসুন অথবা পিঁয়াজ খেতে হবে নিয়মিত এতে করে এজমা হবে না।

কিংবা এজমা হলেও আপনি এ ধরনের খাবার খেলে সামান্য কিছু হলেও পরিত্রাণ পাবেন এজমা কষ্ট থেকে। তাহলে আশা করি এখন আপনি এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় গুলো কি কি সেই সম্পর্কে ভালোমতো একটি ধারণা পেয়ে গেছেন। এখন আপনি নিজেই উপরোক্ত বিষয়গুলি ট্রাই করে দেখতে পারেন এতে কতটা উপকার পান নিজেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।

এজমা নিয়ে শেষ কথা

এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম নিয়ে এখন আমরা শেষ অংশে চলে এসেছি। তাই এজমা নিয়ে শেষ কথা হল এই যে আপনি যদি এজমা থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটির সমস্ত বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন উপর থেকে পড়ে থাকেন। তাহলে এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই জেনে গেছেন অ্যাজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় সম্পর্কে।

আর যদি আপনি আমার এই লিখাটি এখনো না পড়ে থাকেন তাহলে বলবো এক্ষুনি আপনি সম্পন্ন লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিন। এতে করে ১০০% আপনার উপকার হবে। কেননা এইখানে আমি অ্যাজমা থেকে বিরতরে মুক্তির উপায় নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক তথ্যগুলো তুলে ধরেছি। তাই অ্যাজমা ভালো করতে হলে অবশ্যই আপনার এই লেখাটি পড়া দরকার। আপনি যদি আমার এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ে সামান্য টুকু উপকার পেয়ে থাকেন।

তাহলে অবশ্যই লেখাটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। এতে করে তারাও উপকৃত হবে। আর যদি এজমা থেকে চিরতরে মুক্তির উপায় এবং এজমা ভালো করার ঔষধের নাম লেখাটি নিয়ে আপনার কোন ধরনের প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আরো বিস্তরভাবে সঠিক তথ্য গুলোই আপনার সামনে তুলে ধরব।

Assalamu Alaikum! Hello world, I am Md. Hafijul Islam (mhihafijul). I am a Bangladeshi SEO expert. And I have been writing high quality Bengali content for a long time. I can write very nice SEO friendly articles. Along with that we do onpage seo, offpage seo and technical seo in proper guidelines. For which every article I write ranks on Google's fast page.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment

error: Content is protected !!